Web Analytics

বাংলাদেশে পেঁয়াজ সংরক্ষণের এয়ারফ্লো মেশিন বিতরণ কর্মসূচিতে কারিগরি জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, নির্ধারিত জ্বালানি সাশ্রয়ী মোটরের বদলে বেশি ওয়াটের নিম্নমানের স্থানীয় মোটর ব্যবহার করা হয়েছে, ফলে কৃষকের বিদ্যুৎ খরচ বেড়েছে। কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি ও জলবায়ু তহবিলের অর্থায়নে পরিচালিত এ উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল পেঁয়াজ পচন কমানো। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৫ হাজার মেশিন বিতরণের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত ৩,৪২৩টি বিতরণ হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী মোটরের ক্ষমতা ৩০০ থেকে ৩৫০ ওয়াট হওয়ার কথা থাকলেও মাঠপর্যায়ে ৪০০ থেকে ৭৪৬ ওয়াটের মোটর পাওয়ার তথ্য এসেছে। সূত্রগুলোর দাবি, এতে মাসিক বিদ্যুৎ বিল প্রত্যাশিত ৪০০-৫০০ টাকা থেকে ২,৪০০-২,৫০০ টাকায় উঠেছে। ফরিদপুর, নাটোরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে বিদ্যুৎ সংকটে মেশিন ঠিকমতো চালাতে না পারা এবং পেঁয়াজ পচে যাওয়ার অভিযোগও এসেছে।

প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মাহফুজুর রহমান অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বেশি ক্ষমতার মোটরে প্রায় ৩০০ মণ পেঁয়াজ সংরক্ষণ সম্ভব এবং সৌরবিদ্যুতে রূপান্তরে সমস্যা হবে না। উদ্ভাবক ড. জামাল উদ্দীন প্রকৃত লোডে মেশিন পরীক্ষা করার দাবি জানান। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম খান বলেন, অভিযোগ খতিয়ে দেখে অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।