Web Analytics

২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসন পেট্রোডলার ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ১৯৭৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র-উপসাগরীয় চুক্তির পর থেকে বৈশ্বিক তেল বাণিজ্যে ডলারই প্রধান মুদ্রা ছিল। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহনে চীনা ইউয়ানভিত্তিক শুল্কারোপ করায় ডলারের প্রভাব দুর্বল হচ্ছে। জার্মান ডয়চে ব্যাংকের কৌশলবিদরা বলেছেন, চলমান সংঘাত “নিরাপত্তার বিনিময়ে তেল” বা পেট্রোডলার ব্যবস্থাকে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলেছে।

ইরান বর্তমানে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যা দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস পরিবহন হয়। তেহরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-সংশ্লিষ্ট জাহাজ আটকে দিয়েছে, তবে ইউয়ানে মূল্য পরিশোধ করা জাহাজগুলোকে সীমিত প্রবেশাধিকার দিয়েছে। সিএনবিসির তথ্যমতে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান চীনে প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করেছে। একই সময়ে চীন তার তেলের মজুত বাড়িয়ে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ব্যারেলে উন্নীত করেছে, যা তিন থেকে চার মাসের চাহিদা মেটাতে সক্ষম।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই যুদ্ধ পেট্রো-ইউয়ান ব্যবস্থার সূচনা ত্বরান্বিত করতে পারে। ডয়চে ব্যাংকের মল্লিকা সচদেভা একে এই রূপান্তরের সূচনাকাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।