পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কুমিল্লার ১৮ উপজেলায় ৫০টির বেশি ছোট-বড় কিশোর গ্যাং রয়েছে এবং শুধু নগরীতেই সক্রিয় ২০টির বেশি প্রধান গ্রুপ। ১৯ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে কিশোর গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততার বিষয়টি সামনে আসার পর তৎপরতা নিয়ে আলোচনা বাড়ে। পরে প্রশাসন জেলাজুড়ে অভিযান শুরু করে এবং তিন দফায় ১ হাজার ২৯৩ জনকে আটক করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব গ্রুপের কিছু সদস্য সংঘর্ষ, ছিনতাই, মাদক কারবার, চাঁদাবাজি, মোটরসাইকেল চুরি ও অন্যান্য অপরাধে জড়াচ্ছে। চর্থা, কাটা বিল, ধর্মপুর, শাসনগাছা, ছোটরা, ভাটপাড়া, কালিয়াজুড়ি, অশোকতলা, সুজানগর ও রেসকোর্সসহ বিভিন্ন এলাকায় তাদের উৎপাতের কথা জানা গেছে। পুলিশ ও গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে প্রায় ১২টি প্রধান দল ও উপদলের নাম উঠে এসেছে। রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগের সত্যতা তদন্তসাপেক্ষ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রথম দুই দফায় আটক ব্যক্তিদের যাচাই শেষে ৫৯৭ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের কাছে দেওয়া হয়েছে। তৃতীয় দফায় আটক ৪১৫ জনের যাচাই-বাছাই চলছিল। পুলিশ জানিয়েছে, আটকদের ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী এবং তাদের মধ্যে ৬০ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ঝরে পড়েছে। কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, জেলার স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এ অভিযান চালানো হচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।