ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর বাংলাদেশজুড়ে ‘টেকনোক্র্যাট’ কোটায় নিয়োগ পাওয়া মন্ত্রীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই জানতে চান, সংসদ সদস্য না হয়েও কীভাবে কেউ মন্ত্রী হতে পারেন এবং কেন এমন সাংবিধানিক সুযোগ রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মোট সদস্যের সর্বোচ্চ এক-দশমাংশ সংসদ সদস্য নন—এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দিতে পারেন, যদি তারা সংসদ সদস্য হওয়ার সব যোগ্যতা রাখেন। টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীরা সাধারণত অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি, পররাষ্ট্র বা স্বাস্থ্যখাতের মতো জটিল ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ জ্ঞান, পেশাগত অভিজ্ঞতা বা নীতিনির্ধারণী দক্ষতার কারণে নির্বাচিত হন। তারা সংসদে বক্তব্য রাখতে পারেন, তবে ভোট দিতে পারেন না, এবং পূর্ণ মন্ত্রীর সমান বেতন-ভাতা ও সুবিধা পান।
এই ব্যবস্থার উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্র পরিচালনায় বিশেষজ্ঞ জ্ঞান যুক্ত করা, মেধা ও অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন করা এবং রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করা। টেকনোক্র্যাট কোটা ব্যবহার বাধ্যতামূলক নয়; এটি প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনাধীন ক্ষমতা।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।