Web Analytics

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মিশন আচার্য অভিযোগ করেছেন, নিজের নামে বসতভিটা না থাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তার নিয়োগ হয়নি। উপজেলা পর্যায়ের মেধাতালিকায় ১৭তম হয়ে তিনি নিয়োগের সুপারিশ পেয়েছিলেন। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কলাবাগান এলাকার বাসিন্দা মিশন জানান, শৈশব থেকে তিনি মায়ের সঙ্গে ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছেন।

মিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, তার বাবা অনেক বছর আগে পরিবার ছেড়ে চলে যান এবং মা বাসাবাড়িতে কাজ করে তাকে বড় করেছেন। সরকারি চাকরিতে জমির কাগজ লাগতে পারে ভেবে তার খালু তার নামে দুই শতক জমি লিখে দেন। সেখানে কোনো বসতবাড়ি নেই। পুলিশ তদন্তের সময় ভূমিহীন সনদ বিষয়ে জানতে চাইলে দলিল জমা দিলেই হবে বলা হয়েছিল বলে দাবি করে তিনি সেই দলিল জমা দেন।

মিশনের দাবি, ১৮২ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হলেও ১৮০ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন। বাকি দুজনের একজনের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে এবং অন্যজন তিনি। ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন বলেন, স্থায়ী ঠিকানা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আবেদন করা হয়েছে এবং বিষয়টি মানবিকভাবে সমাধানের আশা করা হচ্ছে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।