Web Analytics

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক স্কুলছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধর্ষণ এবং ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে বিএনপি নেতা বকুল মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে কেন্দুয়া থানায় মামলাটি করেন। পরিবারের দাবি, বর্তমানে দশম শ্রেণিতে পড়া ওই ছাত্রী প্রায় ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

মামলায় বকুল মিয়াসহ পাঁচজনের নাম এবং অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ দ্বিতীয় আসামি মো. আবু মিয়া, ৩৬,কে গ্রেপ্তার করেছে; প্রধান আসামি বকুল মিয়া, ৫০, পলাতক রয়েছেন। এজাহার অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার কথা বলে তখন ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে একটি বাড়িতে নেওয়া হয় এবং সেখানে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ রয়েছে।

এজাহারে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে ও স্থানে আরও নির্যাতনের অভিযোগ করা হয়েছে। পরিবারের ভাষ্য, ১ আগস্ট চট্টগ্রামে বড় ভাইয়ের কাছে যাওয়ার পর একটি ভিডিও নজরে এলে মেয়েটি ঘটনার কথা জানায়। ১৮ আগস্টের চিকিৎসা পরীক্ষায় অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি জানা যায়। পৌর বিএনপি সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। পুলিশ অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে; অভিযোগগুলো তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত নয়।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।