জুলাই বিপ্লবে নারায়ণগঞ্জে শহীদ বদিউজ্জামান হত্যার ঘটনায় সাবেক এমপি শামীম ওসমান, তাঁর ছেলে অয়ন ওসমান ও ভাতিজা আজমেরী ওসমানের বিচারের দাবি করেছেন তাঁর স্ত্রী আদুরী খাতুন। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জবানবন্দি শেষে তিনি এ দাবি জানান। নারায়ণগঞ্জে ১০ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে তিনি পঞ্চম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন।
আদুরী খাতুন বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে তাঁর স্বামী নাশতা খেয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিতে চাষাড়ায় যান। এরপর তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ হয়নি। বিকেল আনুমানিক ৫টায় দেবর স্বাধীন ফোন করে তাঁকে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে তিনি হাসপাতালের বারান্দায় ট্রলিতে স্বামীর মরদেহ দেখতে পান।
তিনি বলেন, শামীম ওসমানের লোকজন দ্রুত হাসপাতাল থেকে মরদেহ সরিয়ে নিতে বলেছিল। তাঁর ও মরদেহ গোসল করানো ব্যক্তিদের বর্ণনা অনুযায়ী, বদিউজ্জামানের সারা শরীরে আঘাতের দাগ ছিল। তিনি দেবরদের কাছ থেকে এবং সংবাদ, ফেসবুক ও ইউটিউবের মাধ্যমে জেনেছেন বলে দাবি করেন যে শামীম ওসমান, আজমেরী ওসমান, অয়ন ওসমান, টিপু ও আওয়ামী লীগের অন্য লোকজন দেশীয় অস্ত্রে তাঁকে আঘাত করেন। সরকারি গেজেটে তাঁর স্বামীর নাম ৪৯১ নম্বরে রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।