ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ক্রমবর্ধমান চাপে পড়েছেন, কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। ২৮ ফেব্রুয়ারির যৌথ সামরিক হামলার পর দুই নেতা একে অপরের সিদ্ধান্তকে ঐতিহাসিক বলে ঘোষণা করেছিলেন, কিন্তু এখন আমেরিকার নেতৃত্বাধীন কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় ইসরাইল কার্যত প্রভাবহীন অবস্থায় রয়েছে। সিএনএনকে ইসরাইলি সূত্র জানিয়েছে, নেতানিয়াহু ব্যক্তিগতভাবে স্বীকার করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার ফলাফলে ইসরাইলের প্রভাব প্রায় নেই।
নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করার আহ্বান জানালেও ওয়াশিংটন বিপরীত পথে অগ্রসর হচ্ছে। ইসরাইলি কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, আসন্ন চুক্তি ইরানের ইউরেনিয়াম মজুদ, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রক্সি নেটওয়ার্কের মতো মূল উদ্বেগগুলো অমীমাংসিত রাখবে এবং তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ কমাবে। তার কট্টর-ডানপন্থী মিত্ররা আরও আক্রমণাত্মক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই পরিস্থিতি নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অবস্থানকে জটিল করে তুলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি তার দীর্ঘদিনের ইরান নীতির ব্যর্থতা প্রকাশ করছে এবং নিরাপত্তা নেতৃত্ব হিসেবে তার ভাবমূর্তিকে দুর্বল করছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।