Web Analytics

শরীয়তপুর সদর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে হত্যার পর লাশ টুকরো করে ড্রামে লুকিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রী আসমা আক্তারের বিরুদ্ধে। নিহত জিয়া সরদার মালয়েশিয়া প্রবাসী ছিলেন এবং স্ত্রীসহ ভাড়া বাসায় থাকতেন। ফ্রিজে লাশের অংশ রাখতে গিয়ে স্থানীয়দের সন্দেহে ধরা পড়েন আসমা। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার রাতে তীব্র বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে আসমা লোহার রড দিয়ে জিয়ার মাথায় আঘাত করলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে আসমা লাশ টুকরো করে হাড় ও মাংস আলাদা করে ড্রামে রাখেন এবং তিন দিন পর অটোরিকশা ভাড়া করে দেহের কিছু অংশ বিভিন্ন স্থানে ফেলে আসেন।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে আসমা হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে আটং বৃক্ষতলা এলাকা থেকে লাশের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অন্য কেউ জড়িত আছে কি না তা তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।