Web Analytics

ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) পুঁজিবাজারে ১০ হাজার কোটি টাকার ‘যমুনা সেতু সুকুক আল-ইজারা’ ছাড়ার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব করেছে। সরকারের সম্পদের শতভাগ মালিকানা অক্ষুণ্ণ রেখে যমুনা সেতুর ভবিষ্যৎ টোল আয় আগাম নগদায়নের লক্ষ্যেই এই পরিকল্পনা। এর মাধ্যমে মেগা প্রকল্প ও অবকাঠামো উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি দেশি মূলধন সংগ্রহ এবং বৈদেশিক ঋণ ও ব্যাংকনির্ভরতা কমানোর কথা বলা হয়েছে।

আইসিবির চেয়ারম্যান আবু আহমেদ বলেন, এ ব্যবস্থায় সরকার একসঙ্গে বড় অঙ্কের অর্থ পাবে, যা নতুন উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যবহার করা যাবে। তাঁর মতে, যমুনা সেতুতে নিয়মিত বড় অঙ্কের টোল আদায় হওয়ায় এ আয়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানো উচিত। প্রস্তাবে ভারত, মালয়েশিয়া ও তুরস্কে সড়ক ও সেতুর ভবিষ্যৎ আয়ভিত্তিক অর্থায়ন মডেলের উদাহরণও উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত সুকুকের মেয়াদ ২০ বছর এবং মুনাফার হার মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে অতিরিক্ত শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ যোগ করে নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। ১০ বছর পর প্রত্যাহারের সুযোগ রাখার প্রস্তাব রয়েছে। ১৯৯৮ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত যমুনা সেতুর টোল আয় ৯ হাজার ৩০৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা। উদ্যোগটির বাস্তবায়ন চূড়ান্ত অনুমোদন, আইনি কাঠামো, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও অর্থ ব্যবহারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।