রাজধানীর পরিবাগে অবস্থিত লিবার্টি হাসপাতাল দেড় বছর ধরে নিবন্ধন ও পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে। ২০২৪ সালে কার্যক্রম শুরু করা এই হাসপাতালটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১২০০ অস্ত্রোপচার ও কয়েক হাজার রোগীর চিকিৎসা দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি ১৮ থেকে ২০ কোটি টাকা আয় করলেও সরকারকে কোনো রাজস্ব দেয়নি এবং আওয়ামীপন্থি বহিষ্কৃত চিকিৎসকরা এখানে চিকিৎসা দিচ্ছেন।
হাসপাতালের পরিচালক জাহিদুল ইসলাম অনিয়মের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে মামলা করেছেন এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. শেখ মুজাম্মেল হক স্বীকার করেছেন যে নবায়ন বিলম্বিত হয়েছে, তবে কিছু সনদ নবায়নের কাজ চলছে বলে জানান।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিবন্ধন ও পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া হাসপাতালটি কীভাবে চলছে তা তদন্ত করা হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের আগের বন্ধের নির্দেশনা উপেক্ষা করে হাসপাতাল চালু থাকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে, যা বেসরকারি স্বাস্থ্য খাতের নিয়ন্ত্রণ ও জবাবদিহি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।