পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সংবেদনশীল আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। ইরানের ৭১ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর নাসের হেমাতি এবং সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১০০ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, জ্যারেড কুশনার, সেন্টকম কমান্ডার ব্র্যাড কুপার এবং হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারণ পরিচালক মাইকেল অ্যান্টন।
আলোচনার মূল কেন্দ্রে রয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের ১৫ দফার প্রস্তাব, যেখানে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র না রাখার প্রতিশ্রুতি, ইউরেনিয়াম হস্তান্তর, প্রতিরক্ষা সীমাবদ্ধতা এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার বিষয় অন্তর্ভুক্ত। ইরান জানিয়েছে, তারা নিজেদের ১০ দফা পরিকল্পনার ভিত্তিতে আলোচনা চালাবে। ভ্যান্স সতর্ক করেছেন, ইরান সদিচ্ছা না দেখালে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর অবস্থান নেবে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আলোচনাকে দুই দেশের সম্পর্কের জন্য ‘হয় এসপার, নয় ওসপার’ পরিস্থিতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ইসলামাবাদের সেরেনা হোটেলে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যা আলোচনার বৈশ্বিক গুরুত্বকে প্রতিফলিত করছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।