বাংলাদেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে চিকিৎসক ও সহায়ক জনবলের তীব্র সংকটে অবকাঠামো ও সরঞ্জাম থাকা সত্ত্বেও কাঙ্ক্ষিত সেবা মিলছে না। ৪৯২টি কমপ্লেক্সে অনুমোদিত ১৬ হাজার ৭৮৪টি চিকিৎসক পদের অর্ধেকের বেশি শূন্য। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৮ হাজার ৪৫২টি চিকিৎসক পদ খালি ছিল এবং ১০০টির বেশি কেন্দ্রে ঘাটতি ৭০ শতাংশ ছাড়িয়েছে।
সার্জন, গাইনি ও অ্যানেসথেসিয়া বিশেষজ্ঞের অভাবে ৪৩৩টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৩৪৪টিতে অস্ত্রোপচার বন্ধ রয়েছে। ১০১টিতে এক্স-রে, প্রায় ২০০টিতে আলট্রাসনোগ্রাম এবং ৭৫টিতে ইসিজি সেবা চালু নেই। সব বিভাগেই জনবল সংকটের তথ্য পাওয়া গেছে। ফলে রোগীদের পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য জেলা সদর বা বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হচ্ছে, বাড়ছে ব্যয় ও স্বাস্থ্যঝুঁকি।
চিকিৎসকসংকট মোকাবিলায় সরকার পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৮ হাজার ৫৬১ জন চিকিৎসক ওএসডি ছিলেন, যাদের মধ্যে ৮৪৫ জনের নির্দিষ্ট দায়িত্ব নেই। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সংসদে বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী সরকারি হাসপাতালে ৮৮ হাজার ৯০০ চিকিৎসক প্রয়োজন, কর্মরত আছেন ৩০ হাজার ৩১১ জন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।