সিরাজগঞ্জে যমুনা নদী এখন ধু-ধু বালুচর। নদীর বুকজুড়ে জেগে ওঠা বিশাল চরের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে স্বাভাবিক নৌযোগাযোগ, ফলে নদী পাড়ের হাজারো মানুষ পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। নৌযানের পরিবর্তে এখন মালামাল পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছে ঘোড়ার গাড়ি। পানির অভাবে দেশীয় প্রজাতির মাছের সংকট দেখা দিয়েছে, জীবিকা হারিয়েছেন বহু জেলে। নদী শাসন ও ড্রেজিংয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
৯০-এর দশকে যমুনা ছিল উত্তরাঞ্চলের প্রধান নৌপথ, যেখানে স্টিমার, ফেরি ও লঞ্চ চলাচল করত। বর্তমানে কাজীপুর, সদর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুর এলাকাজুড়ে নদী শুকিয়ে বালুচরে পরিণত হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, বর্ষায় প্রতি সেকেন্ডে ১ লাখ ৩০ হাজার কিউসেক পানি প্রবাহিত হলেও শুষ্ক মৌসুমে তা নেমে আসে তিন হাজার কিউসেকে। পাহাড়ি ঢল ও পলি জমে নদীর নাব্যতা হারিয়ে যাচ্ছে।
তবে নদীর তলদেশে জমে থাকা পলিমাটিতে কৃষকরা এখন ভুট্টা, বাদাম, সরিষা, পেঁয়াজ, রসুন ও টমেটোসহ নানা ফসল চাষ করছেন, যা কিছুটা অর্থনৈতিক স্বস্তি এনে দিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।