প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী নিয়ে রাজনৈতিক নেতা, সংসদ সদস্য, আইনজীবী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা উদ্বেগ জানিয়েছেন। সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল টাওয়ারে ভয়েস ফর রিফর্ম আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তাঁরা বলেন, গুজব, অপতথ্য ও মানহানির অভিযোগে মামলা ও শাস্তির বিধান অস্পষ্ট থাকলে আইনের অপব্যবহার হতে পারে। এতে যৌক্তিক সমালোচনা ও মতপ্রকাশও আইনি জটিলতায় পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বক্তারা বলেন, সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আইনে নাগরিকের মতপ্রকাশের অধিকার সুরক্ষা স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করা দরকার। সাবেক কূটনীতিক সাকিব আলী আশঙ্কা করেন, গুজব ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নামে মফস্বলের সাধারণ মানুষ বেশি ভুক্তভোগী হতে পারেন। এনসিপির সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল আমিন বিভিন্ন নামে পুরোনো ধরনের ‘কালো আইন’ ফিরে আসার আশঙ্কার কথা বলেন এবং তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
অল্টারনেটিভের সংগঠক ডা. তাজনুভা জাবীন বলেন, ধর্মীয় বিদ্বেষ বা সহিংসতায় দুই বছরের শাস্তির বিধান থাকলেও গুজব ও অপতথ্যে ১০ বছর পর্যন্ত শাস্তির প্রস্তাব বৈষম্যমূলক হতে পারে। ভয়েস ফর রিফর্মের সৈয়দ হাসিব উদ্দিন হোসেনের মতে, সংশোধনীগুলো নাগরিক সুরক্ষার চেয়ে রাষ্ট্রের ক্ষমতা বাড়ানোর দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। অন্য বক্তারাও ভারসাম্যপূর্ণ আইন, দায়মুক্তি বিষয়ে সতর্কতা এবং নিরপেক্ষ প্রয়োগের দাবি জানান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।