উত্তর আয়ারল্যান্ডের পরিবর্তিত জনমিতি ও রাজনৈতিক সমীকরণের মধ্যে একীভূত আয়ারল্যান্ডের সম্ভাবনা নিয়ে ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ডে আলোচনা জোরালো হয়েছে। তবে উৎসটি বলছে, তাড়াহুড়ো করে কোনো সিদ্ধান্ত বা গণভোটের পথে যাওয়া উচিত নয়; এর আগে দীর্ঘ, শান্তিপূর্ণ ও সর্বসম্মত জনআলোচনা প্রয়োজন।
ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টি একসময় ব্রেক্সিটকে আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্র থেকে উত্তর আয়ারল্যান্ডের দূরত্ব বাড়ানোর সুযোগ হিসেবে দেখেছিল। কিন্তু ব্রেক্সিট-পরবর্তী ব্যবস্থায় আইরিশ সাগরে বাণিজ্যিক সীমান্ত তৈরি হয় এবং উত্তর-দক্ষিণ অর্থনৈতিক সম্পর্কের যুক্তি শক্তিশালী হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ডে ক্যাথলিক পটভূমির মানুষ এখন প্রোটেস্ট্যান্টদের চেয়ে বেশি; ২০২২ সালের স্টর্মন্ট নির্বাচনে সিন ফেইনের জয়ের পর মিশেল ও’নিল প্রথম জাতীয়তাবাদী ফার্স্ট মিনিস্টার হন।
আয়ারল্যান্ড সফরে ডোনাল্ড ট্রাম্প অনানুষ্ঠানিকভাবে একীকরণ দেখতে ভালোবাসবেন বলে মন্তব্য করেন, যা ও’নিল ক্রমবর্ধমান সাংবিধানিক বিতর্কের প্রতিফলন বলেছেন। সিন ফেইন ২০৩০ সালের মধ্যে গণভোটের অঙ্গীকার করলেও উৎসটি সময়সীমাকে অবাস্তব বলেছে। অরেঞ্জ অর্ডারের মিছিল ঘিরে উত্তেজনা ও স্টর্মন্টের অচলাবস্থার প্রেক্ষাপটে শাসনকাঠামো, অর্থনীতি, সামাজিক সেবা ও সব সম্প্রদায়ের সুরক্ষা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।