২০২৯ সালের ভারতের সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে জেনারেশন জেড দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তি হয়ে উঠছে বলে বিশ্লেষকদের মত। সে সময় ১৮ থেকে ৩২ বছর বয়সী এই প্রজন্ম দেশের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠী হবে, যা রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য নতুন সমীকরণ তৈরি করবে। শিক্ষার্থী, প্রথমবারের ভোটার, কর্মজীবনে প্রবেশকারী তরুণ এবং নতুন পরিবার গঠনকারীদের বড় অংশ এই প্রজন্মের মধ্যে থাকবে।
বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৯ সালে ভারতে জেন-জির সংখ্যা প্রায় ৩৮ কোটি হবে; এর মধ্যে প্রায় ১৯ কোটি ৯০ লাখ পুরুষ ও ১৮ কোটি ১০ লাখ নারী থাকবেন। একই সময়ে মিলেনিয়ালদের সংখ্যা প্রায় ৩৫ কোটি ৭০ লাখে সীমাবদ্ধ থাকবে। নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী আন্দোলন এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ তরুণদের ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক প্রভাবকে সামনে এনেছে।
জাতিসংঘের মধ্যম পূর্বাভাসে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের ভোটার অংশ ২০২৪ সালের ৩০ দশমিক ১ শতাংশ থেকে ২০২৯ সালে ২৭ দশমিক ৮ শতাংশে নামতে পারে। তবু ডিজিটাল সংযোগ, উচ্চ শিক্ষাগত আকাঙ্ক্ষা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত সংগঠিত হওয়ার সক্ষমতার কারণে জেন-জির প্রভাব বাড়ছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। কর্মসংস্থান, শিক্ষা, জীবনযাত্রার ব্যয়, আবাসন, জলবায়ু পরিবর্তন ও সুশাসন তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।