Web Analytics

একটি প্রবন্ধে ১৯৪৭ সালের স্বাধীনতা আন্দোলন, পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিকাশের আলোচনায় মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও দ্বিজাতি তত্ত্বকে নতুন করে মূল্যায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে জিন্নাহকে এমন একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যিনি ব্রিটিশ ভারতের হিন্দু ও মুসলমানকে পৃথক জাতি মনে করতেন এবং রাজনৈতিক অধিকার ও আত্মনিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে পৃথক মুসলিম রাষ্ট্রের পক্ষে ছিলেন।

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, জিন্নাহ প্রথমে কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সরোজিনী নাইডু তাঁকে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের দূত বলেছিলেন। লেখাটির দাবি, ১৯৩৭ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের পর কংগ্রেসের কিছু নীতি এবং মুসলমান ও দলিতদের দাবি উপেক্ষিত হওয়ায় তিনি মুসলিম লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন ও পাকিস্তান আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। লেখক পাকিস্তান সৃষ্টির সঙ্গে পরবর্তীকালে বাংলাদেশের জন্মের ঐতিহাসিক সম্পর্কও তুলে ধরেছেন।

প্রবন্ধটি বাংলাদেশে পাঠ্যক্রম ও ইতিহাসচর্চায় জিন্নাহ এবং দ্বিজাতি তত্ত্ব নিয়ে পর্যাপ্ত বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা নেই বলে সমালোচনা করেছে। এতে জিন্নাহকে বাংলা ভাষাবিরোধী হিসেবে উপস্থাপনের বিরোধিতা করা হয়েছে। লেখাটির ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি উর্দুকে পাকিস্তানের সাধারণ যোগাযোগের ভাষা করতে চেয়েছিলেন, তবে পূর্ব পাকিস্তানের দাপ্তরিক ভাষা নির্ধারণের অধিকার স্থানীয় মানুষের বলে উল্লেখ করেছিলেন।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।