ইসরাইলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হলেও প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট পাঁচটি মৌলিক জাতীয় নিরাপত্তা ও কৌশলগত নীতিতে ব্যাপকভাবে একমত বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এসব নীতির মধ্যে রয়েছে আরব দলনির্ভর সরকার প্রত্যাখ্যান, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের বিরোধিতা, গাজায় হামাসের কর্তৃত্ব নির্মূল, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঠেকানো এবং কঠোর জায়নবাদী ও লেবানন নিরাপত্তানীতি বজায় রাখা।
দুই নেতা নির্বাচনের পর আরব দলগুলোর ওপর নির্ভর করে সরকার গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করেছেন, যদিও জোট গঠনের সমীকরণে আরব আইনপ্রণেতাদের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। নেতানিয়াহুর মতো আইজেনকোটও দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের বিরোধী এবং পৃথক ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবকে অবাস্তব বলেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজায় হামাসের শাসন শেষ করতে কঠোর সামরিক অভিযানের পক্ষেও তিনি অবস্থান নিয়েছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইজেনকোট আগামী ১৮ মাসের মধ্যে গাজা থেকে হামাসের কর্তৃত্ব পুরোপুরি শেষ করার কথা বলেছেন। ইরানের ক্ষেত্রে দুজনই তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে ঠেকাতে প্রয়োজনে সামরিক পদক্ষেপ এবং ইরান-সমর্থিত প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে নিষ্ক্রিয় রাখার পক্ষে। বিশ্লেষকদের মতে, তেল আবিবে ক্ষমতার মুখ বদলালেও মধ্যপ্রাচ্য, যুদ্ধ ও ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডসংক্রান্ত ইসরাইলের মৌলিক নিরাপত্তানীতি অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।