রুহুল কবির রিজভী বলেন, কেউ দীর্ঘদিন রাজনীতি করেনি অথবা আওয়ামী লীগের আমলেও হয়তো একসময় আওয়ামী লীগ করতেন, আওয়ামী লীগের দু:শাসন, বর্বরোচিত, লুটপাট, টাকা পাচার- এটাকে পছন্দ করে না। তারা আগেই আওয়ামী লীগ থেকে সরে গেছেন, তারা আসতে পারেন। রিজভী বলেন, আমরা চাচ্ছি, সমাজের যারা ফ্রেশ মানুষ, একদম ভদ্র মানুষ, যারা হয়তো অবসরে গেছেন, তিনি অন্তরে লালন করেন। তিনি একজন শিক্ষক হতে পারেন, একজন ব্যাংকার হতে পারেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা হতে পারেন, একজন এনজিও কর্মকর্তা হতে পারেন, একজন কৃষক ও শ্রমিক হতে পারেন। এক্ষেত্রে আমাদের যে আদর্শ সেটা বিশ্বাস করেন কিনা। তিনি জানান, আগামী ১৫ মে থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত নবায়ণ ও প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ অভিযান চলবে৷ আমরা টার্গেট করছি, ১ কোটির বেশি প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ করবো আমরা, ইনশাআল্লাহ।
উপদেষ্টা মাহফুজ আলম লেখেন, ‘ক্ষমতার ভরকেন্দ্র অনেকগুলো। ফলে কাজের দায় সরকারের, কিন্তু কাজ করে ক্ষমতার অন্যান্য ভরকেন্দ্র। রাজনৈতিক দলগুলো ডিসেম্বরের পর সহযোগী ভূমিকায় নেই৷ কিন্তু, ঠিকই প্রশাসন, বিচারবিভাগ, পুলিশে তারা স্টেইক নিয়ে বসে আছেন। এস্টাবলিশমেন্ট দ্বিদলীয় বৃত্তে ফিরতে এবং ছাত্রদের মাইনাস করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তিনি লেখেন, তিন ডজনের মধ্যে ছাত্র প্রতিনিধি দুইজন মাত্র, প্রভাবক হতে হলে সুষম বৃদ্ধির বিকল্প নেই। তিনি জানান, ছাত্রদের মাইনাস করার অপচেষ্টা আছে, রাষ্ট্রপতি অপসারণের দাবির পর থেকেই। এছাড়া শিক্ষার্থীদের বিভক্তি, ডান বাম কালচারাল ওয়ার আরো দুর্বল করেছে। শেষে সমাধান বলেন, রাষ্ট্র ও এস্টাবলিশমেন্টে ছাত্রদের ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা এবং ফ্যাসিবাদী শক্তি ও তার দালালদের বিরুদ্ধে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে আঘাত করা। এগুলো করার পূর্বশর্ত হল, ছাত্রদের মধ্যে সততা, আদর্শ, নিষ্ঠা ও ঐক্য ফিরিয়ে আনা। পুরাতন বন্দোবস্তের সৈনিকদের অকার্যকর করে তোলা।
চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অন্য দেশের হস্তক্ষেপ থেকে বাংলাদেশকে অবশ্যই মুক্ত থাকতে হবে। নিজেদের বিষয়ে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি জানান, এমন সংকটময় সময়ে চীন সবসময়ই সত্যের পক্ষে থাকবে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পাশে থাকবে তার দেশ। চলতি মাসের শেষে শত ব্যবসায়ী বিনিয়োগকারীসহ দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে আসছেন উল্লেখ করে বলেন, এত বড় বাণিজ্যিক প্রতিনিধি দল আগে বাংলাদেশে আসেনি। এর মাধ্যমে বাণিজ্য আরো প্রসারিত হবে। রাষ্ট্রদূত বলেন, স্থিতিশীলতা ছাড়া অগ্রগতি সম্ভব নয়। সংস্কার বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আমরা পশ্চিমাদের মতন খোলামেলা কথা বলতে চাই না।
সারজিস আলম লিখেছেন, ‘মিথ্যা মামলা দেওয়ার পূর্বে ফোন দিয়ে মামলায় আসামি হিসেবে নাম না দেওয়ার জন্য টাকা নেওয়া হচ্ছে। এরপরে নাম কাটানোর জন্য টাকা নেওয়া হচ্ছে। অন্যায়-আপকর্মে জড়িত ছিল না তারপরও চাপে রাখার জন্য কিংবা অর্থনৈতিক সুবিধা আদায়ের জন্য ব্যবসায়ীদের নামে মিথ্যা মামলায় দেওয়া হচ্ছে। তিনি লেখেন , ‘টাকা কিংবা ম্যানপাওয়ার সাপ্লাইয়ের বিনিময়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের অসংখ্য সন্ত্রাসীকে শেল্টার দেওয়া হচ্ছে।’ সারজিস আরও লিখেছেন, ‘রাজনৈতিক দলের কিছু কালপ্রিট নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে এই কাজগুলো করা হচ্ছে। একটি রাজনৈতিক দলের আধিপত্য এখানে সবচেয়ে বেশি।’ সারজিস বলেন, ‘অধিকাংশ পুলিশ এক্ষেত্রে আগের মতই সঙ্গ দিচ্ছে। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রতি তাদের চাটুকার মনোভাবের তেমন কোন পরিবর্তন হয়নি।’ আরো বলেন, ‘সময় থাকতে এসব অন্যায় অপকর্ম, মামলা বাণিজ্য থেকে বেরিয়ে আসুন। জনগণের সামনে মুখোশ উন্মোচিত হলে মুখ দেখানো কঠিন হয়ে পড়বে।’
এটিএম আজহারের আপিলের শুনানিতে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার ছিল সাজানো ও পূর্ব পরিকল্পিত। বিচারের নামে অবিচার করে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার লেখা ব্রোকেন ড্রিম বইয়ে এই সত্যটা উঠেছে। তিনি বলেন, আরও সময় পেলে শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকার জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের ফাঁসি কার্যকর করতেন। মহান আল্লাহ তায়ালা তাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। আরো জানান, জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের বিচারকে ঘিরে কীভাবে সাবেক সেনা কর্মকর্তা আমান আযমী, ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে গুম করে আয়নাঘরে রাখা হয়েছিল!
বিএসএফের ১০২ জন ভারতীয়কে সীমান্তে পুশ ইনের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, গায়ের জোরে, অন্যায়ভাবে বাংলাদেশে ‘পুশ ইন’ এর নামে যে বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ। বাংলাদেশ ও এর জনগণ মাথা উঁচু করে বাঁচতে চায়। মহান আল্লাহ ছাড়া আর কারও কাছে আমরা মাথা নত করবো না। আরও বলেন, এই বিষয়ে আমাদের সরকার যেন কোনো দুর্বলতা না দেখায়। আগ্রাসনকে স্পষ্টভাবে ‘না’ বলুন। প্রসঙ্গত, এর আগে নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান আমাদের নাগরিক হলে ফরমাল চ্যানেলে গ্ৰহণ করব উল্লেখ করে পুশ-ইনে ভারতীয় নাগরিকদের অনুপ্রবেশকে অগ্ৰহণযোগ্য বলেছেন!
এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, শুধু এই মাসেই ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ও হাইকমিশন বাংলাদেশের সরকারি বেসরকারি ও সামরিক পর্যায়ে অন্তত তেইশটা মিটিং করেছে।’ তিনি বলেন, ‘লিখে রাখেন, আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের সুযোগ করে দিতেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিচারের নামে কালক্ষেপণ করা হচ্ছে। একটা পর্যায় গিয়ে বলা হবে, এক সময়ের জনসমর্থিত রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা আমাদের কাজ নয়।’ আরো বলেন, ‘যার এজেন্ডায় গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগের বিচার নাই, যার এজেন্ডায় আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা নাই, তার সঙ্গে আমরা নাই।’
ভারতের হামলার পরপরই পাকিস্তান ৫টি অত্যাধুনিক বিমানসহ একটি সেনা সদরদপ্তর গুড়িয়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছে। এমন অবস্থায় উত্তরাঞ্চলের কমপক্ষে ২১টি বিমানবন্দর আগামী ১০ মে পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে ভারত সরকার। এসব বিমানবন্দর ১০ মে ভোর ৫টা ২৯ মিনিট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। বন্ধ রাখা এসব বিমানবন্দরগুলো কেন্দ্রশাসিত জম্মু-কাশ্মির ও লেহ-এর পাশাপাশি পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, রাজস্থান ও গুজরাটের মতো রাজ্যগুলোতে অবস্থিত। ফলে পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতের আবহে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের বড় একটি অংশ বাতিল হয়েছে।
দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শিল্পী কবীর সুমন স্পষ্ট করে বলেন, যারাই যুদ্ধ করুক, যে যুদ্ধ করুক, যে কারণে করুক এবং যেভাবে যুদ্ধ করুক— আমি যুদ্ধের সম্পূর্ণ বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, যুদ্ধবিরোধী মানুষ আমি। গানে গানে আমি যুদ্ধ বন্ধের কথা তো লিখেছিলাম। আজ নিশ্চয়ই শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের সেই গানের কথা মনে পড়বে। কবীর সুমন বলেন, দেশপ্রেমে মানবপ্রেম নেই। প্রাণীসহ মানুষ কারও জন্যই তাতে প্রেম নেই। সংগীতশিল্পী বলেন, আমার অনুমতি কেউ কি নিয়েছিল, যখন দেশ ভাগ হয়েছিল? কেউ অনুমতি নিয়েছিল দেশের মানুষের কাছ থেকে? কীসের ভিত্তিতে আমার দেশ ভাগ হয়েছিল? কবীর সুমন বলেন, এই যে আমরা অস্ত্র চালাচ্ছি, যুদ্ধ হচ্ছে, তাতে এই পৃথিবীর যারা কোনো ক্ষতি করেননি, তারা প্রাণ হারাচ্ছেন। গাছ পুড়ে যাচ্ছে, কত নিরীহ পাখি, পোকামাকড় মরে যাচ্ছে, পানি বিষাক্ত হচ্ছে, সেটি নিয়ে কেউ কিছু বলছে না।
পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধের মধ্যেই কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার লক্ষ্যে ভারতে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। বৃহস্পতিবার তিনি ২০তম ভারত-ইরান যৌথ কমিশন বৈঠকে সহ-সভাপতিত্ব করবেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, ‘ভারত-ইরান যৌথ কমিশন বৈঠকের জন্য নয়াদিল্লিতে আসা পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা। ভারত-ইরান মৈত্রী চুক্তির ৭৫তম বার্ষিকীতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা পর্যালোচনা এবং বৃদ্ধির একটি সুযোগ।' ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফর গুরুত্বপূর্ণ, কেননা এই সময়টিতে ভারত ও পাকিস্তানে যুদ্ধ চলছে!
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ৯ মাস পর দেশ ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে দেশ ত্যাগের নিষেধাজ্ঞা না থাকায় তাকে চিকিৎসার জন্য যেতে দেয়া হয়েছে। আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে অন্তত একটি হত্যা মামলা থাকার তথ্য রয়েছে। গত ১৪ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ সদর থানায় তার বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের হয়। মামলাটিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, ওবায়দুল কাদেরের নামও রয়েছে।
এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ লিখেছেন, খুনিকে দেশ থেকে নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, পুলিশ আসামি ধরলেও আদালত থেকে জামিন দেওয়া হয়। শিরীন শারমিনকে রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে বাসায় গিয়ে পাসপোর্ট করে দেওয়া হয়। আরও লেখেন, দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনাল জানুয়ারিতে হওয়ার কথা থাকলেও মে মাসে এসেও শুরু হয়নি। আর আপনারা বলছেন আওয়ামী লীগের বিচার করবেন? তিনি প্রশ্ন করেন- তা ইন্টেরিম, এখন পর্যন্ত কী কী বিচার ও সংস্কার করেছেন? উল্লেখ্য, গভীর রাতে সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ছেলে ও শ্যালকসহ বিমানবন্দ দিয়ে দেশত্যাগ করেছেন।
বিএসএফ সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করবে না বলে এলেও গত ১০ বছরে সীমান্তে বিএসএফ-এর হাতে নিহত হয়েছেন ১৩১ বাংলাদেশি। এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও নৈতিকতার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সীমান্তে চোরাচালান রোধ যেমন জরুরি, তেমনই মানবাধিকারও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিচারবহির্ভূত হত্যা কোনো সভ্যদেশের কাম্য হতে পারে না। সীমান্তে হত্যা শূন্যে আনতে হলে ভারতকে আন্তর্জাতিক চাপে রাখতে হবে। উল্লেখ্য, গত দশ বছরে আহত হয়েছেন অন্তত ৩৩০ জন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চার মাসে সাত বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করেছে বিএসএফ। এ সময় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে!
গণঅভ্যুত্থানের নয় মাস পর বুধবার মধ্যরাতে দেশ ছেড়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। রাত ১১টার দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যান আবদুল হামিদ। এ সময় তার সঙ্গে ছেলে রিয়াদ আহমেদ ও শ্যালক ড. এ এম নওশাদ ছিলেন। সেখানে যাওয়ার পর ইমিগ্রেশনে প্রয়োজনীয় যাচাইবাছাই শেষে দেশ ছাড়ার সবুজ সংকেত পান সাবেক রাষ্ট্রপতি। আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে কোনো সংস্থার কাছে কোন অভিযোগ ছিল না বলে জানা গেছে। রাত ৩টা ৫ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের টিজি ৩৪০ নম্বর ফ্লাইটে তারা তিনজন ব্যাংককের উদ্দেশে রওনা দেন।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বলেছেন, গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ভারতের চালানো হামলার জবাবে প্রতিক্রিয়া হিসেবে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে পাকিস্তান ও ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের মধ্যে যোগাযোগ হয়। উল্লেখ্য, আইএসআই-এর মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আসিম মালিককে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। ওদিকে ২০১৪ সাল থেকে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন অজিত দোভাল।
আরো ফিড দেখতে লগইন করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।