বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের গুঞ্জন সম্পর্কে বলেন, 'নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করার পরিবর্তে যদি তিনি পদত্যাগ করতে চান বা দায়িত্ব ছেড়ে দিতে চান সেটি তার ব্যক্তিগত বিষয় হতে পারে। আমরা ওনার পদত্যাগ দাবি করিনি। আর একান্তই যদি উনি ব্যক্তিগতভাবে দায়িত্ব পালনে অপারগ হন, তাহলে রাষ্ট্র তো বসে থাকবে না। রাষ্ট্র একটা বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজে নেবে।' এই পৃথিবীতে কেউ অপরিহার্য নয় উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন বলেন, কিন্তু আমরা আশা করব, তিনি একজন বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব, তিনি বিষয়টি অনুধাবন করবেন। জাতির আকাঙ্খা অনুযায়ী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করবেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আজকে আমরা যতটুকু স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারছি, এর অন্যতম কারিগর শহিদ বীর আরমান মোল্লা। তার সন্তানদের বাড়িতে না থেকে এতিমখানায় থাকতে হবে, এটা অত্যন্ত মর্মান্তিক। তিনি বলেন, 'যারা জুলাই আন্দোলনের সুফল পাচ্ছেন, যারা উপদেষ্টা হয়েছেন, বড় বড় পদ পাচ্ছেন, রাজনৈতিক দল গড়ে তুলছেন, এ বিষয়গুলো আরও খবর নেওয়া উচিত ছিল। তারা তো নিজেদের বিপ্লবের একক দাবিদার মনে করছেন। যারা একক দাবিদার, তাদের কাছে শহিদদের লিস্ট নেই কেন?' রিজভী জানান, এই শহীদ পরিবারের অসহায়ত্বের সংবাদ শুনে তারেক রহমান সহযোগিতার জন্য পাঠিয়েছেন। এছাড়া আরমান মোল্লার সন্তানদের পড়ালেখার দায়িত্ব নিয়ে পাশে থাকার প্রত্যায় ব্যক্ত করেন রিজভী।
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘অনেকেই আমাদের সমালোচনা করেন; অথর্ব বলেন। সমালোচনা করবেন, ঠিক আছে। তবে বাইরে এসব ভালো ইম্প্রেশন দেয় না। ইমেজ ক্ষুণ্ন হয়।’ তিনি বলেন, ‘অনেক ধরনের করছাড়ের কথা বলা হয়েছে। বাজেটের পরদিন এসব নিয়ে অনেক উত্তর দিতে হবে। তবে সাধারণ মানুষ বা সামাজিক পছন্দ ঠিক করাটা সহজ কাজ না। আর আইএমএফ যা চেয়েছিল, তা এবার চাপিয়ে দিতে পারে নাই। আমরা একটা সমাধানে এসেছি।’ ঐখানে আরো উপস্থিত সিটি ব্যাংকের এমডি মাসরুর আরেফিন বলেন, গত ৯ মাসে অনেক বেশি অর্জন হয়তো আসেনি। তবে ব্যাংকগুলোতে চলা অন্যায়, অনিয়ম বন্ধ হয়েছে। টাকা পাচার বন্ধ হয়েছে। এটাই বড় অর্জন। তবে রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা আবার বাড়ছে।
হেফাজত নেতা মামুনুল হক বলেন, শহিদদের রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি। ফ্যাসিস্টরা নানা রকম চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তাই জুলাইয়ের চেতনা শানিত করে সব অংশীজনকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি বলেন, সংবিধান ও রাজনৈতিক সংস্কার করে যৌক্তিক সময়ে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে। তার আগে খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের বিচার দৃশ্যমান করা প্রয়োজন। সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার করতে হবে। মামুনুল বলেন, ইসলাম নারীদের সবচেয়ে বেশি মর্যাদা দিয়েছে। হেফাজতে ইসলাম নারীদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় সরকারকে আহ্বান জানায়। এতে সরকার ব্যর্থ হলে আমরা ঘরে ঘরে গিয়ে তাদের অধিকার আদায়ে কাজ করবো। নারী সংস্কার কমিশন থেকে বহুত্ববাদ মতবাদ বাদ দিতে হবে। এই সময় তিনি মান-অভিমান ভুলে প্রধান উপদেষ্টা ও সেনাপ্রধানকে দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান।
ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি, বাংলাদেশ সরকার কলকাতার গার্ডেন রিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের (জিআরএসই) সঙ্গে ১৮০ কোটি রুপির চুক্তি বাতিল করেছে। এই কোম্পানিটি ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় পরিচালিত হয়। এর আগে ভারত তাদের স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য পরিবহণে নিষেধাজ্ঞা দেয়। এরপরই বাংলাদেশ নৌবাহিনীর টাগ বোট কেনার ক্রয়াদেশ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জুলাই ঐক্যের সংগঠক ইসরাফিল ফরাজী বলেন, ‘গত দুদিন যাবৎ রাত পোহালেই শুরু হয় গুজব, প্রধান উপদেষ্টা নাকি পদত্যাগ করছেন। জুলাই যোদ্ধারা মাঠে আছে, এখনো কেউ ঘরে ফিরে যায় নাই।’ তিনি বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত জুলাই যোদ্ধারা ঘরে ফিরে যাবে না। যারা নির্বাচন নির্বাচন করছেন, যারা ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছেন, এই দাপট থাকবে না। শেখ হাসিনাকে দেখেছেন ১৫ বছর কী করেছে, টিকতে পারে নাই। আপনারা নয় মাস কীভাবে টিকবেন? এত সহজ না।’ ‘গত ২০ তারিখ আলটিমেটাম দিয়েছিলাম’ উল্লেখ করে ফরাজী বলেন, ‘৩১ মে তারিখটা আবার স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি, আগামী ৩১ মে’র মধ্যে যদি দোসরমুক্ত সচিবালয় না করা হয়, তাহলে জুলাই ঐক্যের মাধ্যমে পুরো সচিবালয়ে কর্মসূচি দেওয়া হবে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, অতি দ্রুত জুলাই ঘোষণাপত্র দিন।'
সাত দফা দাবি আদায়ে তৃতীয় দিনের মতো কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দাবিগুলো হলো, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যানের অপসারণ করতে হবে; এক ও অভিন্ন চাকরিবিধি বাস্তবায়নের মাধ্যমে আরইবি-পবিস একীভূতকরণ অথবা পুনর্গঠন করতে হবে; মিটার রিডার কাম মেসেঞ্জার, লাইন শ্রমিক এবং পোষ্য কর্মীদের চাকরি নিয়মিত করতে হবে; মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করে চাকরিচ্যুতদের পদে পুনর্বহাল করতে হবে; গ্রাহক সেবার স্বার্থে লাইনক্রুসহ সব হয়রানি ও শাস্তিমূলক বদলি আদেশ বাতিল এবং বরখাস্ত ও সংযুক্ত কর্মীদের অবিলম্বে পদায়ন করতে হবে; জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের আন্তর্জাতিক নিয়মানুযায়ী নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা বা শিফটিং ডিউটি বাস্তবায়নের জন্য অতি দ্রুত জনবলের ঘাটতি পূরণ করতে হবে এবং পূর্ণাঙ্গ সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী বোর্ড গঠন করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যক্রম পরিচালিত করতে হবে।
জিওপি নেতা রাশেদ খান বলেন, ‘মূল ঝামেলা বেঁধেছে মানবিক করিডর ও চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে! প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের গুঞ্জন ছড়িয়ে বিদেশ নির্ভর এসব উপদেষ্টারা নিজেদের প্রভুদের দেওয়া ওয়াদা রক্ষা করতে চায়।’ তিনি বলেন, ‘পদত্যাগের কথা বলে মূলত ইমোশনাল ব্লাকমেইল করা হচ্ছে। দেশের সিকিউরিটি থ্রেট তাদের কাছে মুখ্য বিষয় না, এনজিও চালিয়ে পয়সাপাতি কামানোই তাদের কাছে মুখ্য বিষয়। রাশেদ খান লিখেছেন, ‘দরকার সকল দলের অংশগ্রহণে ঘনঘন রাজনৈতিক সংলাপ। কিন্তু সেটি করা হয় না। তিনি লেখেন, ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস স্যারের সবথেকে বড় দুর্বলতা তার সঙ্গে যোগ্যলোককে তিনি নেননি, ছাত্রদের পরামর্শে একদল অনভিজ্ঞ, বিতর্কিত দিয়ে তিনি উপদেষ্টা পরিষদ গঠনে সম্মতি দিয়েছেন। এজন্য ১০ মাসেও উপদেষ্টাদের কাজের সফলতা, রাষ্ট্র সংস্কারে যথাযথ পদক্ষেপগ্রহণ, গণহত্যার বিচারে তৎপরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে না।
সোমবার মাইক্রোসফট কোম্পানির বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলনে সিইও’র বক্তব্যে বাধা দেন জো লোপেজ। তিনি মাইক্রোসফটের এক ফার্মওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার এবং কোম্পানির ক্লাউড-কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম ‘অ্যাজিউর’-এর কিছু অংশে কাজ করেছিলেন। লোপেজ চিৎকার করে বলেছেন, ‘সাত্যিয়া, মাইক্রোসফট কীভাবে ফিলিস্তিনিদের হত্যা করছে সেটা আপনি দেখান। ইসরাইলের যুদ্ধাপরাধে অ্যাজিউর কীভাবে সহায়তা করছে সেটিও আপনি দেখান।’ প্রধান নির্বাহীর সামনে প্রতিবাদ করার পর নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাকে তাৎক্ষণিকভাবে কনফারেন্স থেকে বের করে দেন। এরপরই লোপেজকে বরখাস্ত করেছে মাইক্রোসফট।
মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গরে বাংলাদেশিসহ ৫৯৭ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। অভিযানে বিভিন্ন সংস্থার ৩৯০ কর্মকর্তা ও কর্মী অংশ নিয়েছিলেন। অভিযানে এক হাজার ৫৯৭ ব্যক্তির কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। এর মধ্যে অবৈধ ৫৯৭ জনকে আটক করা হয়। আটক হওয়াদের মধ্যে ৪৭২ পুরুষ এবং ১২৫ জন মহিলা রয়েছেন। তারা ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক।
বৃহস্পতিবার এক পোস্টে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘BAL, North & Delhi জোটভুক্ত হয়ে যে কুমির ডেকে আনছেন, তা আপনাদেরকেই খাবে। You’re not one of them—just co-opted temporarily! উপদেষ্টা লেখেন, ‘আমাদের না আছে মরার ভয়, না আছে হারাবার কিছু। একমাত্র আফসোস, গণতান্ত্রিক রুপান্তর আর এদেশের মানুষের ভাগ্য কোনোটাই ইতিবাচক পথে যাবে না আরকি। স্বপ্ন দেখে স্বপ্নভঙ্গের কষ্টই বোধহয় এদেশের ভাগ্য।’
বিএনপি নেতা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, আপনি সচেতন নাগরিক, যিনি বিশ্বের দরবারে আমাদেরকে গর্বিত করেছেন, আপনি নোবেল জয়ী। আপনি ব্যক্তি ইউনূস নন, বাংলাদেশের ১৮ কোটির ড. ইউনূস। কিন্তু গতকাল আমি বিস্মিত হয়েছি। পত্রিকায় দেখেছি, কতটুকু সত্য জানি না, এনসিপি নেতাকে বলেছেন, আমার পদত্যাগ করা ছাড়া কোনো উপায় নেই। তিনি বলেন, এতে আমার মনটা বড় খারাপ হয়েছে। আপনাকে কী জন্য বসিয়েছিলাম, আপনাকে কেনো বসিয়েছিলাম, ৯ মাস আপনি কী সেই পথে এগোতে পেরেছেন, পারেননি। না পারার কারণ ও বিষয় আমরা জানতে চেয়েছি। ফারুক বলেন, নির্বাচনের জন্য আপনাদের বসিয়েছিলাম। ৯ মাস হয়ে গেলো নিবার্চনের রোডম্যাপ দেয়া হচ্ছে না। কাদের কানপড়ায় এখনও নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয় নাই। তাই আমাদের দল বাধ্য হয়ে বলেছে, আপনাদের তিনজন উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে।
ফরহাদ মজহার লিখেছেন, ‘ড. ইউনূস পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করে ভুল করেছেন। পদত্যাগ করা হবে তার ব্যর্থতা, তার জন্য আত্মঘাতী। কোন ব্যক্তি বা দল নয়, তার উচিত জনগণের ঐতিহাসিক অভিপ্রায়কে সম্মান করা, কোন দল বা গোষ্ঠীর চাপে বিভ্রান্ত না হয়ে জনগণের ওপর আস্থা রাখা।’ তিনি লেখেন, তাকে অবশ্যই খুনিদের বিচার করতে হবে, নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়নের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গঠন করবার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে, বৈশ্বিক কর্পোরেট দখলদারি কায়েমের বিপরীতে গণবান্ধব ও বিনিয়োগবান্ধব নীতি প্রণয়ন ও কার্যকর করতে হবে। আরও লিখেছেন, ‘সর্বোপরি দিল্লি ও মিয়ানমারসহ শত্রুদেশের বিরুদ্ধে লড়ে জিতবার ক্ষমতাসম্পন্ন শক্তিশালী সেনাবাহিনী গঠন করতে হবে; কারণ রোহিঙ্গাদের তাদের নিজের দেশে যাবার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা বাংলাদেশকেই অর্জন করতে হবে। তিনি লিখেছেন, জনগণ চায় প্রধান উপদেষ্টা ও সেনাবাহিনীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির অবসান হোক। নির্বাচন অবশ্যই যত দ্রুত সম্ভব হতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখতিয়ার বহির্ভূত সেনাবাহিনীর চাপ কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র!
উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেন, প্রধান উপদেষ্টা একটা সময় দিয়েছেন—ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন হবে। তার একদিনও এদিক সেদিক হওয়ার কোন সুযোগ নেই। প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এখন কিছু কিছু গুরু দায়িত্ব আছে, সেগুলো পালনের সঙ্গেও তো মাসের একটা সম্পর্ক থাকতে পারে। আমি নির্বাচনের প্রশ্নেও বলেছি, দায়িত্ব পালনের প্রশ্নেও বলেছি—ওটা প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকেই শুনবেন।’ আরো বলেন, ধরুন, প্রত্যাশার একটা চাপ হচ্ছে যে আমরা পারফর্ম করতে পারছি কিনা। আমাদের বিবেচনায় ওটাই একমাত্র চাপ। আপনি এখন এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় মিটিংয়ে যাবেন—সচিবালয় থেকে যমুনা—যেতে পারবেন না, রাস্তা বন্ধ। কেন রাস্তা বন্ধ? এরকম অনেক সমস্যা আছে, যেগুলো আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা যায়।’ তিনি জানান, ঢাকার ৪টি নদী দূষণমুক্ত করতে বিশ্ব ব্যাংক ও এডিবির সঙ্গে চুক্তি হয়েছে।
আপ বাংলাদেশের আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ বলেন, ‘জুলাইয়ের অসমাপ্ত বিপ্লবকে পূর্ণতা দেওয়া ছাড়া আমরা থামতে পারি না। আমরা মৃত্যুভয়ে কাতর নই। আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পাই না।’ তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. ইউনূসকে অনুরোধ করছি, আপনি শক্তহাতে হাল ধরুন। জুলাই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। ছাত্র-জনতা আপনার সঙ্গে থাকবে।’ আরও বলেছেন, ‘ঐক্য বিনষ্টকারীদের কারণে সৃষ্ট দুশ্চিন্তা বাদ দিয়ে জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে বসুন, কথা শুনুন, জানান কোথায় কী সমস্যা হচ্ছে। দেখবেন, জুলাইয়ের যোদ্ধারা সারাদেশে আবারও নামবে দেশ বাঁচাতে। ইনশাআল্লাহ।’
আরো ফিড দেখতে লগইন করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।