রাজধানী ঢাকার প্রধান সড়ক থেকে অলিগলি পর্যন্ত অধিকাংশ পথ এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। খানাখন্দ, খোলা ম্যানহোল ও দীর্ঘদিনের খোঁড়াখুঁড়িতে দুই সিটি করপোরেশনের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সড়ক ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে। ১০ জানুয়ারি ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন যুক্ত ১৮টি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা কর পরিশোধ করেও মৌলিক নগরসেবা থেকে বঞ্চিত। বর্ষাকালে এসব এলাকায় জলাবদ্ধতা ও কাদা-পানিতে রাস্তাঘাট ডুবে থাকে, ফলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাসাবো-মাদারটেক, খিলগাঁও ও নিকুঞ্জ–২ এলাকার সড়কগুলো বড় বড় গর্তে ভরা, যেখানে দিনভর যানজট লেগেই থাকে। পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান বলেছেন, অনিয়ন্ত্রিত খোঁড়াখুঁড়ি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা ও দখলদারিত্বের কারণে সিটি করপোরেশন নাগরিক প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ। দুই সিটির কর্মকর্তারা বাজেট সংকট ও প্রায় ১,৯০০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষার কথা জানিয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরে চলা সড়ক ও ফ্লাইওভার নির্মাণে যান চলাচল ঘণ্টায় গড়ে চার কিলোমিটারে নেমে এসেছে। এতে জরুরি সেবা ব্যাহত হচ্ছে এবং নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।