এক নারী উদ্যোক্তার কাছ থেকে সাত লাখ টাকা নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর এনসিপি নেতা মো. ইমামুর রশিদ দাবি করেছেন, টাকা ডোনেশন হিসেবে নিয়েছেন। তবে গণঅধিকার পরিষদের রাশেদ খান প্রশ্ন তুলেছেন, অর্থ আসলে পার্টির ফান্ডে গেছে নাকি ব্যক্তিগতভাবে নেওয়া হয়েছে—তা তদন্তের দাবি রাখে। তিনি পূর্বের নিয়োগ কেলেঙ্কারির অভিযোগও সামনে আনেন। ইমামুর পাল্টা দাবি করেছেন, ওই নারী অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিডিও ছড়িয়েছেন। তিনি কোনো অনৈতিক কাজ করলে শাস্তি মাথা পেতে নেবেন বলেও জানান। ভিডিও ভাইরালের পর এনসিপি ফান্ড পলিসি ও ডোনেশন ওয়েবসাইট চালু করেছে।