গোলাম মহীউদ্দীন ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে করা ১২টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে শতকোটির বেশি টাকা লেনদেন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকা জমা এবং ৪৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এসব ব্যাংক হিসাবে স্থিতি রয়েছে ৩৩ লাখ টাকা। তার নিজের এবং ছেলে ও মেয়ের নামে পরিচালিত এসব ব্যাংক হিসাবে ৫৪ কোটি ২৯ লাখ টাকা জমা হলেও আইন পেশা ছাড়া এর বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া যায়নি। এছাড়া ইজদিয়া ও ভবানীপুর ইউনিয়নে ৭৭০ শতাংশ জমিও কিনেছেন। এছাড়াও ভুয়া প্রজেক্ট দেখিয়ে ঋণ, দখলসহ প্রচুর জায়গাজমি, ফ্ল্যাট গড়ে তুলেছেন অবৈধ টাকায়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।