ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘দেশে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার কাগজপত্র জেনারেট হচ্ছে সরকারি প্রতিষ্ঠানে। অথচ এগুলোর অধিকাংশই এখনো ম্যানুয়ালি তৈরি হচ্ছে, যাচাইও হচ্ছে হাতে-কলমে। ফলে জালিয়াতির সুযোগ তৈরি হচ্ছে।’ তৈয়্যব বলেন, ‘ডিজিটাল সিগনেচার ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হলে আগামীতে বিদেশি সংস্থা বা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাংলাদেশি সার্টিফিকেটের গ্রহণযোগ্যতা কমিয়ে দেবে। কারণ বিশ্ব এখন ব্লকচেইন, এআই ও অটোমেশন প্রযুক্তির দিকে যাচ্ছে। ম্যানুয়াল কাগজপত্র যাচাই করার যুগ শেষ।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের ডিজি বা সচিব পর্যায়ের অনেক কর্মকর্তা এসব প্রযুক্তিনির্ভর প্রক্রিয়ায় উৎসাহ দেখান না। বাড়তি খরচের কথা বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান। অথচ এই খরচটাই আমাদের ডিজিটাল ইকোনমির ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তিনি জানান, ইতোমধ্যে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে যাচাই করে ডিজিটাল সিগনেচার বাস্তবায়নে একটি বিশেষ টিম কাজ শুরু করেছে।
সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে যাচাই করে ডিজিটাল সিগনেচার বাস্তবায়নে একটি বিশেষ টিম কাজ শুরু করেছে: তৈয়্যব