বাংলাদেশ জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো (বিএনএফকিউ) উপদেষ্টা পরিষদের চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে, যা দেশের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যাওয়ার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আট বছর ধরে গবেষণা, অংশীজনের মতামত, কর্মশালা ও নীতিগত আলোচনার মাধ্যমে তৈরি এই কাঠামোর লক্ষ্য হলো দেশের জ্ঞান, দক্ষতা ও শিক্ষণফলকে মানসম্মত করা, যাতে বাংলাদেশের নাগরিকেরা দেশ ও বিদেশের শ্রমবাজারে সমানভাবে প্রতিযোগিতা করতে পারে।
বিএনএফকিউ সাধারণ, কারিগরি, মাদ্রাসা ও উচ্চশিক্ষা—এই চার ধারাকে একীভূত কাঠামোয় আনবে, যা ক্রেডিট স্থানান্তর, পূর্ব অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি ও আন্তর্জাতিক সনদের সমমান নিশ্চিত করবে। ২০২৪ সাল থেকে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিএনএফকিউ-এর লেভেল ১–৫ অনুযায়ী সনদ প্রদান শুরু করেছে এবং বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল এটি উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে। বিশ্বের ৪১টি জাতীয় ও আঞ্চলিক কাঠামো বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এটি প্রণয়ন করা হয়েছে।
এই কাঠামো দেশের সনদ ও ডিগ্রির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাড়াবে, কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করবে এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে শিক্ষাকে বৈশ্বিক মানে সমন্বয়ে জাতীয় যোগ্যতা কাঠামোর অনুমোদন