নীলফামারী জেলায় ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরে আগাম জাতের সরিষায় বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, উন্নত বীজ ও সরকারি প্রণোদনার কারণে কৃষকেরা ভালো ফলন পেয়েছেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, ৯ হাজার ২৩ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও তা ছাড়িয়ে প্রায় ১১ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ হয়েছে। আলু চাষে লোকসান হওয়ায় অনেক কৃষক এবার সরিষা চাষে ঝুঁকেছেন, কারণ এতে খরচ কম এবং লাভ বেশি।
কৃষকেরা জানান, বারী-০৯, ১৪, ১৫, ১৮ ও টোরী-০৭ জাতের সরিষা চাষে ভালো ফলন পেয়েছেন। সরিষা চাষে সেচ ও নিড়ানি কম লাগে, ফলে খরচও কম হয়। সরিষার খড় জ্বালানির কাজে লাগে এবং উৎপাদিত তেল পরিবারের চাহিদা মেটায়। জেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, প্রণোদনার আওতায় উন্নতমানের বীজ সরবরাহ করায় ফলন বেড়েছে।
এই সাফল্যে কৃষকেরা উৎসাহিত হচ্ছেন এবং অনেকে আগামী মৌসুমেও সরিষা চাষ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন।
আলুর লোকসানের পর নীলফামারীতে আগাম সরিষায় কৃষকের বাম্পার ফলন