ডিএনসিসির অভিযোগ, নুরুল হক নূর তার পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেয়ার জন্য গত ১৮ মে ডিএনসিসির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আরিফুর রহমানকে ফোন করে চাপ সৃষ্টি করেন। প্রকৌশলী তাকে কিছু করার সুযোগ নেই মর্মে বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু নুর তার কোনো কথা না শুনে তাকে কাজ দেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন এবং ডিএনসিসির অফিসে তালা লাগানোর হুমকি দেন। পরে কাজ না পেয়ে ডিএনসিসির কার্যক্রমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। গণঅধিকার পরিষদ বলছে, প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ হিযবুত তাহরির নেতা ও জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার স্পষ্ট তথ্য-প্রমাণের পর প্রশাসকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকতে পারেন না। এছাড়া ডিএনসিসির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, দরপত্রে অংশ নিয়ে সর্বোচ্চ দরদাতা হয়েও গণঅধিকার পরিষদের একজন সদস্যকে কমিশন ছাড়া কাজ দেওয়া হচ্ছে না। এ নিয়ে কথা হয়েছে!