প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগসহ ৭ দফা দাবিতে চবি'র ৯ শিক্ষার্থী আমরণ অনশনে বসেছেন। এরইমধ্যে শুক্রবার দুপুর ২টা পর্যন্ত অনশন কর্মসূচির ৫০ ঘণ্টা পেরিয়েছে। তিন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আর বাকি ছয়জন শিক্ষার্থীও স্যালাইন লাগিয়ে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে বৃহস্পতিবার প্রশাসন শিক্ষার্থীদের অনশন ভেঙ্গে রোববার আলোচনায় বসার অনুরোধ জানালে শিক্ষার্থীরা প্রত্যাখ্যান করেন। তাদের দাবিগুলো হলো—সংঘর্ষের ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীদের পূর্ণ তালিকা প্রকাশ ও চিকিৎসা প্রদান; অবিলম্বে মানসম্মত ভ্রাম্যমাণ আবাসনের ব্যবস্থা এবং আবাসনচ্যুত শিক্ষার্থীদের মালামাল উদ্ধার; বিশেষভাবে চিহ্নিত শিক্ষার্থীদের সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা এবং নিরাপরাধ এলাকাবাসীর হয়রানি বন্ধ করা; উভয়পক্ষের অন্তর্ভুক্তিমূলক সমন্বয় কমিটি গঠন করা এবং ন্যূনতম তিন মাস পরপর মিটিং করা; সিন্ডিকেট কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত এবং নিরাপদ ক্যাম্পাসের রোডম্যাপ প্রকাশ ও বাস্তবায়ন করা; ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে প্রক্টরিয়াল বডিকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে পদত্যাগ এবং বাস্তবায়ন করা।