১২ দলীয় ঐক্যজোটের সঙ্গে সংলাপে বসার আগে আলী রীয়াজ বলেন, গণতন্ত্র পূর্ণ প্রতিষ্ঠায় আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সুনির্দিষ্ট, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতীয় ঐকমত্য তৈরি করার মাধ্যমে একটি জাতীয় সনদ তৈরি করা। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন রকম আদর্শিক অবস্থান থেকে তাদের মতামত দিয়েছেন। আমরা আশা করি, জাতীয় স্বার্থে, রাষ্ট্র পুনর্গঠনের প্রশ্নে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রত্যেকটা দল ও জোট কিছুটা ছাড় দিতে প্রস্তুত থাকবেন। কারণ, আমরা সকলে মিলে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পুনর্গঠন, বিনির্মাণের জন্য সকলেই সমবেত হয়েছি। আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আরও বলেন, ঐকমত্য কমিশনের সুনির্দিষ্ট ভূমিকা নেই। কমিশন কারও প্রতিপক্ষ নয়। সুনির্দিষ্ট জাতীয় সনদ তৈরি আমাদের মূল লক্ষ্য।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও আমরা এই তরুণ প্রজন্ম শেখ হাসিনার ফাঁসি নিশ্চিত করার অবধি আন্দোলন চালিয়ে যাব। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের মৃত্যু হয়েছে বাংলাদেশে, তার দাফন হয়েছে ভারতে। আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়। শেখ মুজিব বাকশাল কায়েম করে গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছেন। ৩০ হাজার জাসদ কর্মীকে হত্যা করেছিলেন। আরও বলেন, যারা বাইতুল মোকাররমের সামনে হেফাজত কর্মীদের টেনে রাস্তায় নামিয়েছিল, সেই আওয়ামী লীগের আর পুনর্বাসন হবে না। হাসনাত আব্দুল্লাহ, প্রধান উপদেষ্টা কিছুদিন আগে বলেছেন আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নেবে কি নেবে না সেটার সিদ্ধান্ত নাকি দলটির। ড. ইউনূস আপনি ভুলে যাবেন না আমরাই আপনাকে ক্ষমতায় বসিয়েছি। লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে কি না সে সিদ্ধান্ত আমাদের।
ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২৬ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। এই অর্থ কীভাবে পাচার করা হলো, স্বাধীনতার পর থেকে যারা দেশের সম্পদ চুরি করেছে, তাদের ব্যাপারে শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হোক। আরো বলেন, নির্বাচনের জন্য আমরা দুটি সময়কে উপযুক্ত মনে করি। একটি ফেব্রুয়ারিতে রোজার আগে, আরেকটি এপ্রিলের মধ্যে। যদি ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংস্কারগুলো এবং বিচারের দৃশ্যমান প্রক্রিয়া জনমনে আস্থা সৃষ্টির পর্যায়ে না আসে, তাহলে সর্বোচ্চ এপ্রিল পার হওয়া উচিত না। এরপর কোরবানির ঈদ এবং ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে।
শনিবার নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন বাতিলসহ চার দফা দাবিতে আয়োজিত মহাসমাবেশে আগামী ২৩ মে সারাদেশে বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, মামলা প্রত্যাহার পিছিয়ে গেলে নির্বাচনের পর নতুন যে সরকার ক্ষমতায় আসবে, তারা এসব মামলাগুলোকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। চার দফা হলো, ১. নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন ও এর প্রতিবেদন বাতিল করা। ২. সংবিধানে বহুত্বদের পরিবর্তে আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস পুনর্বহাল করতে হবে। ৩. হেফাজতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব মামলা প্রত্যাহার ও শাপলা চত্বরের কথিত হত্যাকাণ্ডসহ সব গণহত্যার বিচার করতে হবে। ৪. ফিলিস্তিন ও ভারতে ‘মুসলিম গণহত্যা ও নিপীড়ন বন্ধে’ সরকারকে ভূমিকা রাখতে হবে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস জানিয়েছেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ধাপের নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে এখনো কোনো ধরনের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র। তিনি বলেন, ‘আমরা বিদ্যমান কোনো নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করছি না। সেই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট প্রতিটি পদক্ষেপ কূটনৈতিকভাবে নেওয়ার পক্ষে’। মুখপাত্র আরও বলেন, ‘তবে তিনি এটাও বোঝেন যে, বিশ্বজুড়ে আরও অনেক অঞ্চলে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন’। গত ২৪ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার বিষয়ে তিনি এক সপ্তাহ পর বিস্তারিত জবাব দেবেন।
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা, জামেয়া দারুল মাআরিফ আল-ইসলামিয়া, চট্টগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আল্লামা সুলতান যওক নদভী মারা গেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে চট্টগ্রামের এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। আল্লামা সুলতান যওক নদভীর জানাজার নামাজ শনিবার বিকাল ৪টায় চট্টগ্রামের জামেয়া দারুল মাআরিফ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।
বিশ্ব সংবাদমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ২০২৪ সালে ১১ ধাপ পেছানোর পর এ বছর আরও দুই ধাপ পিছিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ৫৭তম স্থানে অবস্থান করছে। দেশটির অবস্থান যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ সিয়েরা লিওনেরও নিচে। ২৩ বছর ধরে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বার্ষিক সূচক প্রকাশ করে আসা আরএসএফের মতে, এবার সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সর্বনিম্ন অবস্থানে পৌঁছেছে। সূচকের ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বের অর্ধেক দেশের জন্য সাংবাদিকতার অনুকূল পরিবেশ ‘খারাপ’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এক-চতুর্থাংশেরও কম দেশে পরিস্থিতি ‘সন্তোষজনক’। যদিও ২০২৪ সালে সংবাদমাধ্যমগুলোর অনলাইন বিজ্ঞাপন থেকে আয় বেড়ে ২৪৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, কিন্তু এর একটি বড় অংশ চলে যাচ্ছে ফেসবুক, গুগল বা অ্যামাজনের মতো প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর হাতে।
উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ দেশের সব গণমাধ্যম এখন সরকারের প্রভাবমুক্ত। কোনো গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে সরকারের পক্ষ থেকে টেলিফোন করে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। দেশের গণমাধ্যমকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করতে সরকার ইতোমধ্যে বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশের ১৬ ধাপ উন্নতিই প্রমাণ করে—সরকার দেশের গণমাধ্যমকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করতে কাজ করছে। তিনি বলেন, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী অতি শিগগিরই বেশ কিছু সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে। উপদেষ্টা বলেন, আগামী বছরে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশ আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং সাংবাদিক ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে।
দ্রুত সময়ের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়ে নুরুল হক নুর বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানে ২ হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়েছে। আহত হয়েছেন ৩০ হাজার। দৃশ্যমান কোনো বিচার আমরা দেখতে পাচ্ছি না। হত্যাকারী সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি জানাচ্ছি। তিনি বলেন, দেশে চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা বন্ধ হয়নি। রাজনৈতিক দলগুলো গত ১৬ বছরের বিভিন্ন সময় সরকার পতনের আন্দোলন করলেও জনগণ কিন্তু তাদের সঙ্গে রাস্তায় নামেনি। কারণ রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি মানুষের আস্থার কমতি ছিল। নুর বলেন, কোনো কোনো দল মনে করছে আমরাই সব হর্তাকর্তা; তাদের উচিত আওয়ামী লীগ কিভাবে বিদায় নিয়েছে, সেই কথা মনে রাখা। তিনি বলেন, সামরিক বাহিনীর চিঠিতে ভারতে ফ্রিতে চিকিৎসা দেওয়ার তথ্য রয়েছে; যাতে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হয়েছে। সামরিক বাহিনীকে ভারতের এ প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতে আহ্বান জানাচ্ছি।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, রাজনৈতিক নেতাদের তোষামোদি না করে নিজেদের মেরুদণ্ড শক্ত করে কাজ করুন। জনগণের কল্যাণে সব সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ফসলি জমির টপ সয়েল কাটা ও বিক্রি এবং ভূমিদস্যুদের কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। রাজনৈতিক চাপ আসলে সেটি মোকাবেলা করতে হবে, তোষামোদি করা যাবেনা। শক্ত ও কঠিন পদক্ষেপের বিষয়ে সরকার সহযোগিতা করবে। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কে বাজার অব্যবস্থাপনার কারণে সৃষ্ট যানজট নিরসনেরও নির্দেশনা দেন। বদিউল আলম মজুমদার বলেন, অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারগুলো করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হচ্ছে না। তিনি বলেন, এখন মূল প্রশ্ন হলো—যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে রাশিয়া ও ইউক্রেনকে একটি সমাধানে পৌঁছাতে সহায়তা করতে পারে। ভ্যান্স বলেন, এ নির্মম যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য চূড়ান্তভাবে রাশিয়া ও ইউক্রেনকেই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে। তিনি বলেন, হ্যাঁ, অবশ্যই ইউক্রেনবাসীরা রাগান্বিত—তাদের দেশ আক্রমণ করা হয়েছে। কিন্তু আমরা কি কয়েক মাইল ভূমির জন্য হাজার হাজার সেনা হারিয়ে যেতে দেব? মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, অচিরেই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বড় কোনো অগ্রগতি না হলে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই সংকটের জন্য সময় ব্যয় করা কমিয়ে দিতে পারেন।
পাকিস্তান গত বছর আইএমএফ থেকে ৭ বিলিয়ন ডলারের একটি জরুরি সহায়তা প্যাকেজ পেয়েছিল। প্যাকেজটি পাকিস্তানের ৩৫০ বিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চলতি বছরের মার্চে জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির জন্য নতুন করে ১.৩ বিলিয়ন ডলারের ঋণ অনুমোদিত হয়। এবার আইএমএফের কাছে পাকিস্তানকে দেওয়া ঋণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল ভারত। সেগুলোর পর্যালোচনার অনুরোধ জানিয়েছে বলে ভারত সরকারের এক সূত্র রয়টার্সকে জানায়, এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেনি।
আজাদ কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী চৌধুরী আনোয়ারুল হকের নির্দেশনায় সীমান্ত রেখার কাছের ১৩টি নির্বাচনী এলাকার মানুষকে দুই মাসের খাবার মজুদ করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া ওই এলাকাগুলোর মানুষের খাবার, ওষুধ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসের যোগান নিশ্চিত রাখতে ১০০ কোটি রুপির ফান্ড গঠন করা হয়েছে। আজাদ কাশ্মীরের রাস্তাঘাটগুলো ঠিক রাখতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি মালিকানাধীন যন্ত্রপাতিও সীমান্ত রেখার কাছে মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এর আগে বন্ধ করেছে মাদ্রাসা।
বাংলাদেশের ১৪ হাজারের বেশি হজযাত্রীর এখনো ভিসা কার্যক্রম শেষ হয়নি। এসব হজযাত্রী এক ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। সৌদি আরবের উদ্দেশে ১৫ হাজার ১৫৪ জন ঢাকা ছেড়েছেন। এর মধ্যে একজন হজযাত্রী মারা গেছেন। এবার সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮৭ হাজার ১০০ জন হজ করার কথা রয়েছে। হজ বিধিমালা অমান্যকারী ভিজিট ভিসাধারীকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া, পরিবহণ করা, সংরক্ষিত হজ এলাকায় প্রবেশে সহায়তা করা ও তাদের হোটেল কিংবা বাড়িতে আবাসনের ব্যবস্থা করা থেকে বিরত থাকতেও বাংলাদেশিদের অনুরোধ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
জনপ্রশাসনবিষয়ক ‘কালো আইন’ মেনে নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী কর্মচারী ঐক্য ফোরাম। সংগঠনটি বলেছ, প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে কর্মরত অধিকাংশ কর্মকর্তা দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, এলাকাপ্রীতি ইত্যাদিতে জড়িত। ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর হওয়ায় তারা জনপ্রশাসনে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের আস্থা হারিয়েছেন। ফলে প্রশাসনে স্থবিরতা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে এসব কর্মকর্তাদের অপসারণ করার জন্য সুনিদিষ্ট তথ্যসহ তালিকা সরকারের কাছে জমা দিয়েছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সত্য যে, সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টার অনৈতিক, স্বৈরতান্ত্রিক মানসিকতা ও অবৈধ হস্তক্ষেপের কারণে এসব বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। এছাড়া বলা হয়, সব নিয়ম নীতি লঙ্ঘন করে বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণকারী ব্যক্তি, আওয়ামী দোসর এবং নানাভাবে বিতর্কিত অনাভিজ্ঞ লোকদের প্রশাসনে ও বিভিন্ন কমিশনে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
আরো ফিড দেখতে লগইন করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।