গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের পর রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ মোট ৬২৬ জনকে বিভিন্ন সেনানিবাসে আশ্রয় দেওয়া হয়। আশ্রয় দেওয়া সেই ব্যক্তিদের তালিকা প্রকাশ করেছে আইএসপিআর। এর আগে ১৮ আগস্ট আইএসপিআর এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, ৫ আগস্ট সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি হয়। এ সময় প্রাণনাশের আশঙ্কায় কতিপয় রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ বিভিন্ন নাগরিক সেনানিবাসে আশ্রয় প্রার্থনা করেন। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ৬১৫ জন নিজ উদ্যোগে সেনানিবাস ত্যাগ করেন। মামলার ভিত্তিতে ৪ জনকে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে সাতজন সেনানিবাসে অবস্থান করছেন।
বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান দুদু বলেন, বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশ। সেই দেশটাকে মানবিক করিডরের নামে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেবেন না। এদিকে না গিয়ে দেশকে রক্ষা, যুদ্ধমুক্ত ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিন। যে নির্বাচন আমরা ১৫-১৬ বছর ধরে পাইনি, কিন্তু নির্বাচন গেছে। আজকের যে প্রজন্ম, যাদের বয়স ২৫-৩০ বছর; তারা একটা নির্বাচনেও ভোট দিতে পারেনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের একটা বন্দর নিয়ে কথা উঠেছে, যিনি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা তিনি বলেছেন- কারো সঙ্গে কোনো আলোচনা করার প্রয়োজন নেই। এই ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যের আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আরো বলেন, আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী এবং প্রতিটি রাজনৈতিক দল ও খেটে খাওয়া মানুষ সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে রক্ষা করবে এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
বিএনপি নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, সরকারের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার স্বার্থে বিতর্কিত কয়েকজন উপদেষ্টা যাদের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে- তাদের সরিয়ে দেওয়ার দাবি আমরা তুলেছিলাম। অন্তর্বর্তী সরকারের একমাত্র ম্যান্ডেট হচ্ছে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করা। অথচ প্রেস সচিব বলেছেন- ‘এই সরকারের সবকিছু করার ম্যান্ডেট রয়েছে’। মোশাররফ বলেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী দুঃশাসনের পতন হয়েছে, বিজয়ী হয়েছে ছাত্র-জনতার। কিন্তু গত সাড়ে ৯ মাসে জনপ্রত্যাশা বা গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা কতটুকু এর মধ্যে পূরণ হয়েছে- তা একটি বিশাল প্রশ্নের সম্মুখীন। আগামীর বাংলাদেশের মূল চালিকাশক্তি এই ঐক্যকে বজায় রেখে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের কোনো বিকল্প নেই।
‘প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করতে চাইছেন’, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন চাউর হওয়ার সময়ে সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। জানা গেছে, সন্ধ্যা ৭টার দিকে যমুনায় প্রবেশ করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বেশ কিছুক্ষণ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে একান্তে আলাপ করেছেন। ডক্টর ইউনূসের প্রধান উপদেষ্টা পদে থাকার বিষয়টি নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। এদিকে সন্ধ্যায় উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদও প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করেছেন।
উপ-প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে মানবিক করিডোর খোলার বিষয়ে সরকার এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। তাই এ নিয়ে সীমান্ত জনপদের মানুষের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, মফস্বলের সাংবাদিকরা নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন করেন। রোহিঙ্গা সংকট, মাদক ও মানবপাচার এবং সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানের মতো বিষয় নিয়ে কাজ করা অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে মিয়ানমার ও ভারত সীমান্তবর্তী এলাকায় কাজ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের অনেক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়।
২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের হলফনামায় শেখ হাসিনার সম্পদের তথ্য গোপন করার প্রমাণ পেয়েছে দুদক। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে তারা নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছে। দুদকের চেয়ারম্যান আব্দুল মোমেন জানিয়েছেন, নির্বাচনি বিধিমালা লঙ্ঘন করায় তার প্রার্থিতা থাকার সুযোগ ছিল না। এই মিথ্যা তথ্য দেওয়ার ঘটনায় দুদক আইন অনুযায়ী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা বা পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। জানা যায়, ২০০৮ সালের নির্বাচনের হলফনামায় শেখ হাসিনা এক লাখ ৭৫ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ এবং তিন কোটি ৪৭ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদের হিসাব দাখিল করেন। দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, শেখ হাসিনার তৎকালীন সময় স্থাবর সম্পদ ছিল ৩৩ লাখ ৬৬ হাজার টাকা।
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে পাঁচটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস সরকারের মধ্যে নৌ-প্রতিরক্ষা সামগ্রী সংক্রান্ত সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার এবং আহত ছাত্র-জনতার কল্যাণ ও পুর্নবাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে বৈঠকে। এছাড়া ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। এছাড়া সংস্কার কমিশনের সুপারিশের মধ্যে আশু বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশগুলোর বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
জামায়াত আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, জাতীয় স্বার্থে স্পর্শকাতর ও বিতর্কিত বিষয়গুলো আসুন সবাই এড়িয়ে চলি। সংকট উত্তরণে ইতিবাচক ভূমিকা কেবল জাতিকে উপকৃত করবে। নেতিবাচক ভূমিকা কখনোই কল্যাণ বয়ে আনে না। প্রসঙ্গত, রাখাইনে করিডোর এবং চট্রগ্রাম বন্দর ব্যবস্থাপনা বিদেশি কোম্পানিকে ছেড়ে দেওয়ার মতো বিষয়গুলো নিয়ে সরকার এবং বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জামায়াত আমির এইরকম অবস্থান জানান।
বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘ড. খলিল তার নিজের পক্ষে ওঠা প্রশ্নের জবাব না দিয়ে পলাতক স্বৈরাচারের মতো তারেক রহমানের বিপক্ষে প্রোপাগান্ডার পথ বেছে নিয়ে জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা করেছেন। ফ্যাসিবাদের দেড় দশক ড. খলিল কোথায় ছিলেন? কিভাবে ছিলেন? কোন দেশে ছিলেন? বিদেশে তার স্ট্যাটাস কি ছিল? ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে তার ভূমিকা কি ছিল? অবশ্যই এসকল প্রশ্নের জবাব জনগণকে জানাতে হবে। তিনি বলেন, ড. খলিলকে অবিলম্বে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে দেশে-বিদেশে তার অবস্থান সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দেশের জনগণের সামনে হাজির করতে হবে।’
উপদেষ্টা মাহফুজ আলম লেখেন, দেশপ্রেমিক শক্তির ঐক্য অনিবার্য। আগেকার যেকোনো বক্তব্য ও শব্দচয়ন, যা বিভাজনমূলক ছিল-সেগুলোর জন্য আমি আন্তরিকভাবে দু:খিত। সরকারে আর একদিনও থাকলে অভ্যুত্থানের সব শক্তির প্রতি সম্মান ও সংবেদনশীলতা রেখে কাজ করতে চাই। তিনি বলেন, পুরাতন বন্দোবস্তের বিভেদকামী স্লোগান ও তকমাবাজি, যা বৃহত্তর জনগোষ্টীকে হত্যাযোগ্য করে তোলে, সেগুলো পরিহার করলেই আশা করি ভবিষ্যত রাষ্ট্র গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে। আরও বলেন, বাংলাদেশের শত্রুরা ঐক্যবদ্ধ ও আগ্রাসী। সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক সব প্রতিষ্ঠান হুমকির মুখে। দেশপ্রেমিক জনগণ যারা জুলাই অভ্যুত্থানে ঐক্যবদ্ধ ছিলেন, তাদের সামনে দীর্ঘ পরীক্ষা। এ পরীক্ষা ঐক্যের এবং ধৈর্যের। এ পরীক্ষা উতরে যেতেই হবে।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, এনসিপিকে নির্বাচনবিরোধী আখ্যা দিয়ে সচেতনভাবেই এক ধরনের কলঙ্ক দেওয়ার চেষ্টা চলছে। ছাত্র উপদেষ্টারা দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকতে চায়- এমন গুজব ছড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেন, "এনসিপি আহ্বায়ক স্পষ্ট বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা ডিসেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত যে সময় দিয়েছেন, আমরা সেটিকে সমর্থন করেছি। এর মধ্যে নির্বাচন হতে পারে। তবে আমরা এর মধ্যে বিচার ও সংস্কারের কথা বলেছি।" আরো বলেন, দুইজন ছাত্র উপদেষ্টার পদত্যাগ চাওয়া মোটেই স্বাভাবিক কোনো বিষয় না।’ হাসনাত বলেন, সার্বভৌমত্বের প্রয়োজনে, আমরা প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করবো। কিন্তু গণতান্ত্রিক অধিকার এবং সুষ্ঠু ক্ষমতা হস্তান্তরের যে আকাঙ্ক্ষা থেকে ২০২৪-এর অভ্যুত্থান ঘটেছে, সেখানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপকে আমরা মেনে নেবো না। রাজনৈতিক সালিশের সুযোগ দিয়ে আরেকটি ওয়ান-ইলেভেনের পথ কেউ প্রশস্ত করছে কি না- তা নিয়ে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। তিনি এই সময় ফ্যাসিবাদবিরোধী সকল শক্তির এক্যের আহ্বান জানান।
বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন বলেন, আইনের শাসনের বিজয় হয়েছে। যেহেতু আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, সেহেতু আমরা আশা রাখব সরকার কালক্ষেপণ না করে অবিলম্বে আদালতের রায় বাস্তবায়ন করবে। যেহেতু আজ আমরা রায় পেয়েছি, যদি সরকার আবারও টালবাহানা করে, আবার কালক্ষেপণ করে, তাহলে কাল সকালেই আমরা এখানে এসে আবার জড়ো হবো। তিনি বলেন, হাইকোর্টের আদেশ শোনার পর আমাদের দল থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আমরা আন্দোলন আপাতত স্থগিত রাখব। সরকারকে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত পর্যবেক্ষণে রাখব। এ সময়ে তাদের যে কর্মকাণ্ড, তার ওপর ভিত্তি করে আমরা পরবর্তী আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নেব। ইশরাক বলেন, আমাদের এ কর্মসূচিগুলোর ফলে সড়কে যানজট সৃষ্টি হয়। জনগণ দুর্ভোগে পড়ে। এজন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আরো বলেন, দুইজন ছাত্র উপদেষ্টা পদত্যাগ না করলে আন্দোলন শেষ হবে না।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, ১২ তারিখ সন্ত্রাসবিরোধী আইন ব্যবহার করে আওয়ামী লীগের সভা, সমাবেশ, প্রকাশনা এবং অনলাইন প্রচারণায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। আগের সরকারের আমলেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে দমননীতি চালানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের মতো মানুষের মৌলিক স্বাধীনতা লঙ্ঘন করবে অন্তবর্তীকালীন সরকার। আরো বলছে, আগের সরকারের আমলে গুমের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতে পর্যাপ্ত পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এছাড়া, গুম ঠেকাতে খসড়া আইন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণ করে না।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, 'বর্তমানে যে রাজনৈতিক সংকট এই সংকট দূর করবার একটিমাত্র পথ তা হচ্ছে, অতি দ্রুত নির্বাচনের একটি রোড ম্যাপ ঘোষণা করা। এখানে অন্য কথা বলে লাভ নেই।’ তিনি বলেন, সংস্কারের যে বিষয়টা আছে সেটা চলমান প্রক্রিয়া। এটাও প্রপোজ করবে যারা জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনে আছে তারা অতিদ্রুত যেগুলোতে রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যমত্য হয়েছে সেগুলো তারা ঘোষণা করবেন। যেসব বিষয়ে ঐক্যমত্য করে সনদ তৈরি করবেন। সুতরাং এটা নিয়ে কোনো বাড়াবাড়ি করা কিংবা এটা নিয়ে টানাহেঁচড়া করা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলবে। বিএনপি মহাসচিব ইশরাক প্রসঙ্গে বলেন, বিচার বিভাগের উচ্চ আদালত তারা আইনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে যেটা হওয়া উচিত সেই ধরণের রায় তারা দিয়েছেন। এই রায়ে জনগণের বিজয় হয়েছে।’
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার সঙ্গে ওভাল অফিসে বৈঠক হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। লাইভ বৈঠকে একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিশ্বাস করানো যাবে যে দক্ষিণ আফ্রিকায় হোয়াইট জেনোসাইড-এর ঘটনা ভিত্তিহীন? আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট বলেন, এই বিষয়ের সত্যতা যাচাই করার জন্য ট্রাম্পকে দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষের কথা শুনতে হবে। তখনই ট্রাম্প সহকারীকে নির্দেশ দিলেন, লাইট নেভাও, টিভি চালাও। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গদের কথিত নিপীড়ন নিয়ে একের পর এক ভিডিও এবং ছবি প্রদর্শন করতে থাকেন। পুরনো খবরের কাটিংয়ের স্তূপ এনে হাজির করা হয়। পুরো প্রস্তুতি থেকে এটি স্পষ্ট যে এই দৃশ্যপাটের পুরোটাই আগেভাগে তৈরি করা।
আরো ফিড দেখতে লগইন করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।