সেনাবাহিনী ফেসবুকে বলছে, সম্প্রতি একটি স্বার্থান্বেষী মহল বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর লোগো ব্যবহার করে একটি ভুয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে, যার মাধ্যমে সাধারণ জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী ও জনগণের মধ্যে বিভেদ তৈরির অপচেষ্টা চলছে। আরও লেখা হয়, গুজবে কান দেবেন না, বিভ্রান্ত হবেন না। সত্যতা যাচাই করুন, সচেতন থাকুন। উল্লেখ্য, সরকারকে তীব্রভাবে আক্রমণ করা ঐ ভুয়া প্রেস রিলিজটি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে!
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব লেখেন, প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না। ডক্টর ইউনুসের ক্ষমতা প্রয়োজন নেই, কিন্তু বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ ডেমোক্রেটিক ট্রাঞ্জিশনের জন্য ড. ইউনূস স্যার এর দরকার আছে। বরং ক্যাবিনেটকে আরও গতিশীল হতে হবে। আরো বেশি ফাংশনাল হতে হবে, উপদেষ্টাদের আরো বেশি কাজ করতে হবে, দৃশ্যমান অগ্রগতি জনতার সামনে উপস্থাপন করতে হবে। তিনি লেখেন, সরকারকে এখন থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে আলোচনায় বসতে হবে। আরো লেখেন, সেনাবাহিনীও রাজনীতিতে নাক গলাতে পারবে না। ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের বক্তব্যে সেনাপ্রধান জুরিশডিকশনাল কারেক্টনেস রক্ষা করতে পারেননি। তবে সেনাবাহিনীকে প্রাপ্য সম্মান দেখাতে হবে, আস্থায় রাখতে হবে। ফয়েজ বলেন, সকল দরকারি প্রস্তুতি শেষ করে নির্বাচন এপ্রিল-মে'র মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে, গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তির আগেই খুনি হাসিনার বিচারের প্রথম রায়টি আলোর মুখ দেখতে পাবে বলে আশা করি। নোটঃ পরবর্তীতে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি জানান এটা নিতান্তই তার ব্যক্তিগত মতামত, সরকারী বক্তব্য না।
উমামা ফাতেমা লেখেন, ‘দেশ কোনো ধরনের রাজনৈতিক ঐক্যের পথে নাই। এই ঐক্য ভেঙে গেছে গত সেপ্টেম্বর, অক্টোবরের দিকেই। সব পক্ষ যদি কিছুটা পরিপক্কতা দেখাতো, শহিদদের জীবনের কথা ভেবে কিছুটা ছাড় দিতো, তাহলে অন্তত ইলেকশনের আগ পর্যন্ত দেশটা স্ট্যাবল থাকতো।’ তিনি লেখেন, ‘দেশটা স্ট্যাবল না হতে দেওয়ার জন্য অনেক ধরনের ফোর্স ভেতরে সক্রিয় আছে। আর জুলাইয়ের সকল লড়াকু শক্তিই ক্ষমতা প্রশ্নে অস্থির হয়ে গেছে। যেন গোটা দেশটাই একটা খেলামাত্র।’ আরও লেখেন, ‘রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, ধৈর্য ও টেবিলে ঐকমত্যের রাজনীতিই দেশকে একটা গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে নিতে পারে। এখন প্রতিটি শক্তিই পরস্পরকে বেইমান, গাদ্দার মনে করে। আর এখন এসে ড. ইউনূসের জন্য হা-হুতাশ একটু হালকা লাগে বৈকি। যখন ঐকমত্যের রাজনীতি করতে হয়, ঐ সময় ভাঙনের রাজনীতি করছেন। আর এখন এসে হাহুতাশ দেখতে হাস্যকর লাগে।’
পাকিস্তানের ইতিহাসে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে ফিল্ড মার্শাল র্যাংক পেয়েছেন সেনাপ্রধান আসিম মুনির। প্রতিক্রিয়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেন, ভালো হতো ফিল্ড মার্শাল না করে বরং তাকে ‘রাজা’ ঘোষণা করা উচিত ছিল। কারণ এখন দেশে জঙ্গলের আইন চলছে, আর জঙ্গলের আইনে তো রাজাই থাকে। তিনি বলেন, খাইবার পাখতুনখাওয়ার অঞ্চলে ড্রোন হামলায় নিরীহ নাগরিকদের মৃত্যুতে অত্যন্ত দুঃখিত এবং এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। ইমরান খান বলেন, আমার সঙ্গে চুক্তির গুজব ছড়ানো হচ্ছে। কোনো চুক্তি হয়নি এবং চুক্তি সম্পর্কে আলোচনাও চলছে না, এগুলো সবই মিথ্যা। উল্লেখ্য, ইমরান খান এখন কারাবন্দি। ট্রায়াল কোর্টে পরিবার ও সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় এসব বলেন তিনি।
গাজায় অব্যাহত ইসরাইলি বিমান হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৫ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও খাবারের অভাবে এ পর্যন্ত মারা গেছেন আরও ২৯ ফিলিস্তিনি! অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে, হাজার হাজার মানুষ দুর্ভিক্ষ ঝুঁকিতে রয়েছেন। সাত মাস ধরে চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৫৩ হাজার ৭৬২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং এক লাখ ২২ হাজার ১৯৭ জন আহত হয়েছেন। আসল মৃতের সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০-এরও বেশি, কারণ ধ্বংসস্তুপের নিচে নিখোঁজ বহু মানুষকে মৃত বলে ধরে নেওয়া হয়েছে।
সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে জেদ্দা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে বৈঠক করেছে জেদ্দা কনস্যুলেট। কনসাল জেনারেল মিয়ামো মাইনুল কবির বলেন, সৌদি আরবে বাংলাদেশের রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে তার অবস্থান সুদৃঢ় রেখেছে। তিনি সৌদির বাজারে চামড়াজাত পণ্য, প্লাস্টিক সামগ্রী, হিমায়িত মাছ, কৃষি-প্রক্রিয়াজাত পণ্য, ফার্মাসিউটিক্যালস, পাট ও পাটজাত পণ্য, চা এবং হালাল মাংসের মতো বিভিন্ন বৈচিত্র্যময় পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে পণ্য বহুমুখীকরণের সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশে পুশইন করতে হাত-পা বেঁধে ও কোমরে বোতল বেঁধে নারী-শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজনকে ত্রিপুরা সীমান্তের ফেনী নদীতে ফেলে দিয়েছে বিএসএফ। সোনাইপুল এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। রাতভর নদীর পানিতে ভেসে ভোরে ফেনী নদীসংলগ্ন বাংলাদেশ সীমান্তের ফেনীরকুল এলাকায় পৌঁছান বলে জানান ভুক্তভোগীরা। এছাড়া দেশের পাঁচ জেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে আরও ১০০ জনকে পুশইন করেছে বিএসএফ।
এনসিপি নেতা তাসনিম জারা লিখেছেন, ‘জুলাই বিপ্লবের পর গত রাতটি ছিল সবচেয়ে কঠিন রাত। এটা দোষারোপের মুহূর্ত নয়। এটা ভাবার মুহূর্ত। রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে ক্ষুদ্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং অবিশ্বাস সমগ্র গণতান্ত্রিক উত্তরণকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। আমরা স্বল্পমেয়াদী হিসাব-নিকাশের জন্য স্বাধীনতার জন্য রক্ত দেওয়া জাতির আশাকে বিপন্ন করতে দিতে পারি না।’ আরও লিখেছেন, ‘ইতিহাস আমাদের শেখায় যে, যারা পরিবর্তনে ভয় পায় তারা নতুন নামে পুরনো ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য ভাঙন এবং মেরুকরণের ওপর নির্ভর করে।’ জারা লেখেন, ‘আমাদের এখানে তা ঘটতে দেওয়া উচিত নয়। আমাদের অবশ্যই দলাদলির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে। বিপ্লব জনগণই পরিচালনা করেছেন। আর তাদের কাছেই আমরা আমাদের সংযম, আমাদের সংলাপ এবং আমাদের ঐক্যের জন্য ঋণী।’ তিনি বলেন, ‘এই পরিস্থিতি ঐক্যের দিকে মোড় ঘুরিয়ে আনুক, আর বিভাজনের দিকে নয়।’
সালমান এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শায়ানের দুটি অ্যাপার্টমেন্ট জব্দের আদেশ পেয়েছে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি। যে দুটি অ্যাপার্টমেন্ট জব্দের আদেশ হয়েছে, সেগুলোর একটি হলো- লন্ডনের ১৭ গ্রোসভেনর স্কয়ারের একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট। এটি ২০১০ সালে ৬৫ লাখ পাউন্ড দিয়ে কেনা হয়েছিল। অন্য অ্যাপার্টমেন্টটি উত্তর লন্ডনের গ্রেশাম গার্ডেনসে। এটি পরের বছর ১২ লাখ পাউন্ড দিয়ে কেনা হয়। যুক্তরাজ্যের নির্বাচনী তথ্য অনুযায়ী, শেখ রেহানা গ্রেশাম গার্ডেনসের অ্যাপার্টমেন্টে বসবাস করেছেন। তবে তিনি এখন সেখানে থাকেন কিনা, তা নিশ্চিত নয়।
বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন লেখেন, ‘শপথ কেবল একটা ফরমালিটি। জনতার মেয়র হিসেবে আমার দায়িত্ব বর্তায় আগামী কুরবানির ঈদের আগে যাতে বর্জ ব্যবস্থাপনার পর্যাপ্ত প্রস্তুতি থাকে। আমি ঢাকাবাসীকে নিশ্চিত করছি, উত্তরে মেয়র না আসা পর্যন্ত সেখানকার প্রশাসন ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করব।’ আরও লেখেন, ‘দক্ষিণের সাবেক কাউন্সিলর ও বিগত নির্বাচনের প্রার্থীদের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি জোনভিত্তিক মনিটরিং টিমের অনুমোদন দেব। বিকেলের মধ্যে (১৬ ঘণ্টায়)! একটা স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরি করার উদ্যোগ গ্রহণ করব। দক্ষিণ পরিচ্ছন্নকর্মীদের সঙ্গে আমি নিজেও থাকব।’
নাহিদ ইসলাম প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের পর বলেন, ‘দেশের চলমান পরিস্থিতি, স্যারের তো পদত্যাগের একটা খবর আমরা সকাল থেকে শুনছি। তো ওই বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে স্যারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম।’ তিনি বলেন, ‘স্যার বলছেন, আমি যদি কাজ করতে না পারি, যে জায়গা থেকে তোমরা আমাকে আনছিলে একটা গণ–অভ্যুত্থানের পর। দেশের পরিবর্তন, সংস্কার। কিন্তু যেই পরিস্থিতি যেভাবে আন্দোলন বা যেভাবে আমাকে জিম্মি করা হচ্ছে। আমি তো এভাবে কাজ করতে পারব না।’ নাহিদ বলেন, ‘উনি বলেছেন তিনি এ বিষয়ে ভাবছেন। ওনার কাছে মনে হয়েছে পরিস্থিতি এ রকম যে তিনি কাজ করতে পারবেন না।’ নাহিদ জানান, ‘আমাদের গণ–অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও দেশের ভবিষ্যৎ—সবকিছু মিলিয়ে উনি যাতে শক্ত থাকেন এবং সব কটি দলকে নিয়ে যাতে ঐক্যের জায়গায় থাকেন। সবাই তার সঙ্গে আশা করি কো-অপারেট করবেন।’ জানা গেছে, প্রধান উপদেষ্টা কাজ করতে না পারা ও পদত্যাগের কারণ জানানোর জন্য জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণের খসড়াও তৈরি করে রেখেছিলেন। তবে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি!
নাশকতার দুই মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন বিএনপি নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ যশোর জেলা বিএনপির ৩৯১ জন নেতাকর্মী। জানা যায়, ২০১৪ সালের ১ অক্টোবর হযরত মোহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি ও ধর্মীয় অনুভূতির ওপর আঘাত আনার প্রতিবাদে আওয়ামী লীগের তৎকালীন মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে যশোরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে জেলা বিএনপি। এ সময় পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবুসহ আটজনকে আটক করে। ওই ঘটনায় পুলিশ মামলা করে। ঝিকরগাছার পৃথক আরেকটি মামলা হয়েছিল ২০১৩ সালে। এই দুই মামলার রায় হয়েছে।
বৃহস্পতিবার হঠাৎ ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন হার্ভার্ডের স্টুডেন্ট অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ ভিজিটর প্রোগ্রাম সার্টিফিকেশন বাতিল করে দেয় — যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয় এখন আর আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভর্তি করতে পারবে না। এই সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ, ‘হার্ভার্ড একাধিকবার সরকারি অনুরোধ উপেক্ষা করেছে, ক্যাম্পাসে ইহুদিবিদ্বেষী মনোভাবকে প্রশ্রয় দিচ্ছে, এবং হামাসপন্থি সহানুভূতি ও বিভাজনমূলক বৈচিত্র্য নীতি অবলম্বন করছে’। হার্ভার্ডের নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ২৭ শতাংশই বিদেশি, যাদের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘দেশে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার কাগজপত্র জেনারেট হচ্ছে সরকারি প্রতিষ্ঠানে। অথচ এগুলোর অধিকাংশই এখনো ম্যানুয়ালি তৈরি হচ্ছে, যাচাইও হচ্ছে হাতে-কলমে। ফলে জালিয়াতির সুযোগ তৈরি হচ্ছে।’ তৈয়্যব বলেন, ‘ডিজিটাল সিগনেচার ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হলে আগামীতে বিদেশি সংস্থা বা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাংলাদেশি সার্টিফিকেটের গ্রহণযোগ্যতা কমিয়ে দেবে। কারণ বিশ্ব এখন ব্লকচেইন, এআই ও অটোমেশন প্রযুক্তির দিকে যাচ্ছে। ম্যানুয়াল কাগজপত্র যাচাই করার যুগ শেষ।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের ডিজি বা সচিব পর্যায়ের অনেক কর্মকর্তা এসব প্রযুক্তিনির্ভর প্রক্রিয়ায় উৎসাহ দেখান না। বাড়তি খরচের কথা বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান। অথচ এই খরচটাই আমাদের ডিজিটাল ইকোনমির ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তিনি জানান, ইতোমধ্যে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে যাচাই করে ডিজিটাল সিগনেচার বাস্তবায়নে একটি বিশেষ টিম কাজ শুরু করেছে।
গণসংহতি আন্দোলন বলেছে, বাংলাদেশে অভ্যুত্থান পরবর্তী গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য বিচার প্রক্রিয়ায় গতি নিয়ে আসা এবং সংস্কার ও নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোড ঘোষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক বৈধতা হলো অভ্যুত্থানকারী সব রাজনৈতিক শক্তির অনুমোদন ও সমর্থন। ফলে এই ঐক্যের শক্তির উপরে দাঁড়িয়েই একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় সংস্কার ও নির্বাচনের পথরেখা তৈরি করতে হবে। আরো বলা হয়, জাতীয় স্বার্থ, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ইত্যাদি প্রশ্নে জাতীয় ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। ফলে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দলটি ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, সংঘাত নয়, বরং এই ঐক্যের পথেই বাংলাদেশ তার নতুন রাজনৈতিক গন্তব্যে পৌঁছতে পারবে।
আরো ফিড দেখতে লগইন করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।