Web Analytics
logo
নোটিশঃ একনজরের সবগুলো মডিউল এখনো একটিভেট না হওয়াতে শুধুমাত্র নিউজগুলো দেখাচ্ছে ফিডে। সবগুলো মডিউল একটিভ করার পর পুরো প্লাটফর্মের সকল একটিভিটিস/আপডেট এখানে ফিড হিসেবে দেখাবে। আমরা আসছি, অনেক কিছু নিয়ে। অপেক্ষায় থাকুন!

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় সরকারবিরোধী বিশৃঙ্খলা ও হামলার অভিযোগে সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন খানসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ভোলাকোট ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল হাসান রাব্বি বাদী হয়ে থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত ১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে রামগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক আব্দুস শাকুর মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং জানান, সন্দেহভাজন একজনকে আটক করা হয়েছে। এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৬ জুন রাতে আসামিরা ভিডিও গ্রুপ কলে যুক্ত হয়ে ভোলাকোট ইউনিয়নের ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির সামনে জড়ো হয়ে স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে এবং বাদীসহ সাক্ষীদের ওপর হামলা চালায়। এর আগে একই প্রতিষ্ঠানে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার কোনো নামীয় আসামিকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি। তদন্ত চলছে।

Card image

জাতিসংঘ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সংঘর্ষে দক্ষিণ লেবাননে ১১ হাজারের বেশি আবাসিক ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে, ফলে বহু পরিবার এমন অবস্থায় পড়েছে যাদের ফেরার মতো কোনো ঘর অবশিষ্ট নেই। জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের জানান, নতুন মূল্যায়নে দেখা গেছে আরও প্রায় ২ হাজার ২০০ ভবন আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ, চলমান অনিশ্চয়তা এবং বিস্ফোরিত না হওয়া অস্ত্রের ঝুঁকি নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের পথে বড় বাধা হয়ে আছে। তবুও অনেক মানুষ দক্ষিণ লেবাননে ফিরে যাচ্ছেন। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এক রাতেই প্রায় ১৯ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে নিজ এলাকায় ফিরে গেছেন, ফলে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষের সংখ্যা কমে প্রায় ৯০ হাজারে দাঁড়িয়েছে। জাতিসংঘ আরও জানিয়েছে, ধ্বংসপ্রাপ্ত অবকাঠামো, নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং প্রয়োজনীয় সেবা পুনরুদ্ধারের অভাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। এই প্রতিবেদন দক্ষিণ লেবাননের মানবিক ও পুনর্গঠন সংকটের গভীরতা তুলে ধরেছে।

Card image

আমার দেশ অনলাইনে ২৪ জুন ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন সাময়িকী দ্য আটলান্টিকের তথ্যমতে ইউক্রেনের অধিকৃত অঞ্চলে রুশ সেনাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন বহু নারী, যাদের স্থানীয়ভাবে বলা হয় ‘ভিডমা’ বা ‘ডাইনি’। তারা গোপনে তথ্য সংগ্রহ করে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে সহায়তা করছেন। এক ঘটনায় দেখা যায়, এক রুশ সেনা অনলাইনে এক নারী পরিচয়ে প্রতারিত হয়ে নিজের ঘাঁটির অবস্থান প্রকাশ করেন, যার ভিত্তিতে ড্রোন হামলা চালানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধের চার বছরে ইউক্রেনের প্রতিরোধ কৌশল বদলে গেছে। এখন ছোট ছোট তথ্য সংগ্রহ করে সেগুলো সামরিক লক্ষ্যবস্তুর অবস্থানে রূপান্তর করা হচ্ছে। সাবেক সংসদ সদস্য লেসিয়া ওরোবেটস বলেন, ইউক্রেনীয় সমাজে ‘ভিডমা’দের দক্ষতার জন্য সম্মান করা হয়। প্রতিরোধ সংগঠক পেত্রো আন্দ্রিউশচেঙ্কো জানান, নারীরা এমন জায়গায় যেতে পারেন যেখানে পুরুষদের পক্ষে যাওয়া কঠিন। ইউক্রেনিয়ান উইমেনস গার্ড ২০১৪ সাল থেকে ৬০ হাজারেরও বেশি নারীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অধিকৃত অঞ্চল থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইউক্রেনীয় ড্রোন ইউনিট দ্রুত হামলা চালাতে সক্ষম হয়। তবে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সব সময় সম্ভব নয়।

Card image

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওয়ারী বিভাগের একটি বিশেষ টিম রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে ছয়জন পেশাদার ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬ তারিখে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. ইসমাইল হারিজ (২১), মো. আলম (২৫), মো. রবিন (২৬), মো. সিদ্দিকুর রহমান (৩৮), নাছাত খান নাবিল (১৯) ও রবিউল ইসলাম মাহিন (২০)। ডিবি ওয়ারী সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সংঘবদ্ধভাবে ছিনতাই কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে চুরি, মাদক ও দস্যুতাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এই অভিযান রাজধানীতে ছিনতাই ও সংগঠিত অপরাধ দমনে পুলিশের চলমান প্রচেষ্টার অংশ। ডিবি সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, রাজধানীর অন্যান্য এলাকাতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে যাতে সংগঠিত ছিনতাই চক্রগুলোকে চিহ্নিত ও দমন করা যায়।

Card image

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এবার পাহাড়ি টিলায় আনারসের বাম্পার ফলন হলেও পর্যাপ্ত হিমাগার ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধা না থাকায় চাষিরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। জেলায় সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয়েছে হানিকুইন জাতের আনারস, যার চাহিদা দেশজুড়ে বেশি। কিন্তু সংরক্ষণের অভাবে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ আনারস নষ্ট হচ্ছে, ফলে উৎপাদন বাড়লেও দাম পড়ে যাচ্ছে এবং কৃষকেরা লোকসান গুনছেন। চাষি ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, একসঙ্গে অনেক আনারস পেকে গেলে দ্রুত বিক্রি করা কঠিন হয়ে পড়ে। স্থানীয় আড়তগুলোতে প্রতিদিন প্রায় অর্ধকোটি টাকার আনারস কেনাবেচা হয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে একটি আধুনিক হিমাগার স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছেন, যাতে উৎপাদিত আনারস সংরক্ষণ করে ন্যায্য দাম পাওয়া যায়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, জেলায় ১,২২৩ হেক্টর জমিতে প্রায় ২২,৭৭৪ মেট্রিক টন আনারস উৎপাদিত হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৬৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আনারস এখন মৌলভীবাজারের অর্থনীতির নতুন সম্ভাবনা হলেও সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধা উন্নয়ন না হলে কৃষকেরা পূর্ণ সুফল পাবেন না।

Card image

বাংলাদেশে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বুধবার (২৪ জুন ২০২৬) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম কমায় এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দামে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ১৫ হাজার ১৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে এবং বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। এর আগে ২২ জুন বাজুস স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা নির্ধারণ করেছিল। রুপার অলংকারের ভ্যাট সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত শিগগির জানানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

Card image

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর দেশের ঐতিহাসিক ‘লুক ইস্ট’ বা পূর্বমুখী পররাষ্ট্রনীতির আধুনিক পুনর্জাগরণের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এই সফরগুলোকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক নির্ভরতা বৈচিত্র্যময় করার এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রবন্ধে বলা হয়েছে, সফরগুলো বাংলাদেশের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির নতুন দিকনির্দেশনা দিচ্ছে। প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭০-এর দশকে চীন, জাপান ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে এই নীতির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। পরবর্তীতে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকার এই নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারতের ওপর অতিনির্ভরশীল পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনা সৃষ্টি হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই নতুন উদ্যোগকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রবন্ধে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়া সফর মূলত অর্থনৈতিক কূটনীতি, শ্রমবাজার পুনরুজ্জীবন, সেমিকন্ডাক্টর ও হালাল অর্থনীতি সহযোগিতার ওপর কেন্দ্রীভূত, আর চীন সফর তিস্তা প্রকল্প, গভীর সমুদ্রবন্দর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ও বিনিয়োগ আকর্ষণের সঙ্গে সম্পর্কিত। লেখকের মতে, এই নীতির পুনঃপ্রতিষ্ঠা বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন, কৌশলগত ভারসাম্য ও বৈশ্বিক মর্যাদা রক্ষায় অপরিহার্য।

Card image

জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইল গাজায় ফিলিস্তিনি শিশুদের পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হত্যা করছে এবং এটি চলমান গণহত্যার অংশ। মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরাইলি হামলায় নিহতদের প্রায় ৩০ শতাংশই শিশু। এমনকি ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও শিশুদের হত্যা অব্যাহত ছিল, যা কমিশনের মতে ফিলিস্তিনিদের সম্পূর্ণ বা আংশিক ধ্বংসের উদ্দেশ্যকে প্রমাণ করে। কমিশনের প্রধান শ্রীনিবাসন মুরলিধর বলেন, প্রমাণ স্পষ্টভাবে দেখায় যে ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে শিশুদের হত্যা করেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইসরাইল ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ভারী অস্ত্র ব্যবহার, খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহে অবরোধ এবং হাসপাতাল ও প্রসূতি কেন্দ্রে হামলার মাধ্যমে শিশুদের জীবন ও বিকাশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। গাজার প্রায় প্রতিটি শিশুরই এখন জরুরি মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তার প্রয়োজন। জেনেভায় নিযুক্ত ইসরাইলি মিশন এই প্রতিবেদনকে ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে, যদিও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতো সংস্থাগুলো একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

Card image

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় পেঁয়াজের বাজারে নজিরবিহীন দরপতনে কৃষকেরা মারাত্মক আর্থিক সংকটে পড়েছেন। উৎপাদন খরচের তুলনায় দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় হাজারো চাষিকে লোকসান গুনতে হচ্ছে। যেখানে অন্যান্য বছর প্রতি মণ পেঁয়াজ ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হতো, সেখানে এখন দাম নেমে এসেছে মাত্র ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকায়। সংরক্ষণে পচন, ওজন কমে যাওয়া এবং অতিরিক্ত সরবরাহে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। চাষিদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন সংরক্ষণে রাখায় অনেক পেঁয়াজ শুকিয়ে ওজন কমছে, আবার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পচেও নষ্ট হচ্ছে। বানেশ্বর হাটের কৃষক আব্দুল মমিন বলেন, এখন এক মণ পেঁয়াজ বিক্রি করে এক কেজি গরুর মাংসও কেনা যায় না। ব্যবসায়ীরা জানান, অতিরিক্ত উৎপাদন ও সংরক্ষণ সমস্যার কারণে বাজারে একসঙ্গে বেশি পেঁয়াজ আসায় দাম পড়ে গেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার জানান, অতিরিক্ত জোগানের কারণে দাম কমেছে, তবে কিছুদিন পর দাম বাড়তে পারে। কৃষকেরা বাজার নিয়ন্ত্রণ, সংরক্ষণ সুবিধা বৃদ্ধি ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সরকারের জরুরি পদক্ষেপ দাবি করেছেন।

Card image

বাংলাদেশে জেলা ও সাব-রেজিস্ট্রারদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ভূমি নিবন্ধন ও মূল্যায়নে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু কর্মকর্তা ও ভূমিদস্যু মিলে উচ্চমূল্যের জমিকে ‘নাল’ বা নিম্নমূল্যের শ্রেণিতে দেখিয়ে দলিল নিবন্ধন করছেন, ফলে সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। এই অনিয়মের কারণে রেজিস্ট্রারদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জোরালো হয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জমির বাজারমূল্য নির্ধারণের প্রচলিত পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ও সিনিয়র সচিব সালেহ আহমেদ জানান, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিকে যুক্ত করে নতুন কাঠামো গঠনের পরিকল্পনা চলছে এবং ভূমি-সংক্রান্ত সব সেবা একই প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় আনার কাজ শুরু হয়েছে। গুলশান ও তেজগাঁও এলাকার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জমির শ্রেণি পরিবর্তনের মাধ্যমে রাজস্বের বিশাল পার্থক্য তৈরি হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরোনো রেকর্ড ও ডিজিটাল সংযোগহীনতার কারণে এই অনিয়ম টিকে আছে। তারা ভূমি ব্যবহারভিত্তিক তথ্য নিবন্ধন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে রাজস্ব ফাঁকি রোধ করা যায়।

Card image

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) বন্দরনগরী চট্টগ্রামকে একটি টেকসই, পরিবেশবান্ধব ও দুর্যোগ সহনশীল স্যাটেলাইট সিটিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে ২৫ বছরের মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করছে। মাস্টারপ্ল্যান ২০২৫–২০৫০ নামে এই পরিকল্পনার খসড়া প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে গেজেট প্রকাশের জন্য, এরপর ৬০ দিনব্যাপী গণশুনানি হবে। ডিসেম্বর মাসে পরিকল্পনাটি প্রকাশের কথা রয়েছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে ৮৭ শতাংশ ভৌত ও ৫৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে এবং ১,১৩৫টি মৌজা ম্যাপ ডিজিটালাইজড করা হয়েছে। পরিকল্পনায় কর্ণফুলী নদীর ওপারের আনোয়ারা ও কর্ণফুলী এলাকা যুক্ত করে শহরের আয়তন ১৫৫ থেকে ৯৫৫ বর্গকিলোমিটারে বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। এতে ১৯টি খাতে ২৭৬টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে পরিবেশ সংরক্ষণ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও ৮–১০ লাখ মানুষের উন্নত আবাসনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৯৮ দশমিক চার বর্গকিলোমিটার পাহাড়ি এলাকায় স্থাপনা নির্মাণ নিষিদ্ধ থাকবে। নগর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিকল্পনাটি প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত হলেও সমন্বয়, আইন সংস্কার ও পর্যাপ্ত বাজেট ছাড়া বাস্তবায়ন কঠিন হবে। সিডিএ জানিয়েছে, ডিসেম্বর থেকে নতুন মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু হবে।

Card image

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারের টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রটি ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি ও ২৪ জুনের দুই দফা বিস্ফোরণের পর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। দ্বিতীয় বিস্ফোরণের ২১ বছর পূর্তিতে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘ সময়েও খনিটি সচল করার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। একসময় ছাতক সিমেন্ট ও কাগজ কারখানায় গ্যাস সরবরাহকারী এই ক্ষেত্রটি বন্ধ থাকায় নানা প্রশ্ন উঠেছে আইনি জটিলতা ও ভূরাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে। সীমান্ত সংলগ্ন এই গ্যাসক্ষেত্র ভারতের মেঘালয় সীমান্ত থেকে মাত্র ৭–১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূগর্ভস্থ গ্যাসের নির্দিষ্ট সীমারেখা না থাকায় ভারতের পাশে উত্তোলন কার্যক্রম চালালে বাংলাদেশের গ্যাস ‘ড্রেনেজ ইফেক্ট’-এর মাধ্যমে ওপারে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নাইকোর বিরুদ্ধে দায় নির্ধারণে আন্তর্জাতিক আদালতের রায় এলেও খনিটি এখনো অচল। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী ও বাসিন্দারা দ্রুত নতুন সমীক্ষা চালিয়ে টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন, যাতে দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এই সম্পদ কাজে লাগানো যায়।

Card image

বগুড়ার ধুনট উপজেলার নিমগাছি-হেউটনগর সড়কের একটি কালভার্ট সোমবার সকালে টানা বর্ষণের ফলে ধসে পড়ে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও নিমগাছি ও কালেরপাড়া ইউনিয়নের অন্তত ১৫ গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। মাঠের পানি নিষ্কাশনের সময় প্রবল স্রোতে পাশের মাটি সরে গিয়ে কালভার্টটি পাকা সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০০১ সালে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অর্থায়নে ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের এই কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, নিম্নমানের কাজের কারণে এটি শুরু থেকেই নড়বড়ে অবস্থায় ছিল এবং কোনো সংস্কার করা হয়নি। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে দুর্বল কাঠামোটি ভেঙে পড়ায় স্থানীয়দের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীরা বিকল্প পথে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে চলাচল করছেন। এলজিইডির ধুনট উপজেলা প্রকৌশলী বখতিয়ার হোসেন জানান, নতুন কালভার্ট নির্মাণের প্রাক্কলন তৈরি করে দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ উল্লাহ নিজামী দ্রুত যোগাযোগব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

Card image

বিবিসি বাংলার ২৪ জুন ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ, ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ, ঋণ পুনঃতফসিল ও দেউলিয়াত্বের ধারণা ব্যাখ্যা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১৮ লাখ ২০ হাজার ৯১৫ কোটি টাকার ঋণের প্রায় ৬০ শতাংশ ছিল ঝুঁকিপূর্ণ বা ‘ডিস্ট্রেসড লোন’। বর্তমানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩০ শতাংশেরও বেশি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, ব্যাংক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, অডিটে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরদারির অভাব এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। তিনি সতর্ক করেন, যখন ১০০ টাকার মধ্যে ৩০–৩৫ টাকা অনাদায়ী হয়ে যায়, তখন ব্যাংকিং ব্যবস্থা বিপদের মুখে পড়ে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ এখনো খেলাপি নয়, তবে উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে, আর পুনঃতফসিলের মাধ্যমে ঋণগ্রহীতা নতুন শর্তে ঋণ পরিশোধের সুযোগ পেতে পারে। প্রতিবেদনটি উল্লেখ করে, খেলাপি ঋণ বাড়লে ব্যাংকের তারল্য ও নতুন ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা কমে যায়, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

Card image

২০২৬ সালের ২৪ জুন বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দালিয়ান থেকে বেইজিং পৌঁছান। বেইজিংয়ের চাউমিং রেলওয়ে স্টেশনে তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। রেলস্টেশন থেকে বিশেষ মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে চীনের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন দিয়াওইউতাই গেস্ট হাউসে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তিনি ও তার সফরসঙ্গীরা অবস্থান করবেন। এর আগে দুপুর ১টা ৫৮ মিনিটে দালিয়ান উত্তর রেলওয়ে স্টেশন থেকে হাই স্পিড ট্রেনে বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। তার সফরসঙ্গীদের মধ্যে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী, বিভিন্ন উপদেষ্টা ও প্রেস কর্মকর্তারা। বেইজিং আসার আগে সকালে তিনি দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’ বার্ষিক সভায় অংশ নেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার প্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তার প্রথম মালয়েশিয়া ও চীন সফর।

Card image

আরো ফিড দেখতে লগইন করুন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।