Web Analytics
logo
নোটিশঃ একনজরের সবগুলো মডিউল এখনো একটিভেট না হওয়াতে শুধুমাত্র নিউজগুলো দেখাচ্ছে ফিডে। সবগুলো মডিউল একটিভ করার পর পুরো প্লাটফর্মের সকল একটিভিটিস/আপডেট এখানে ফিড হিসেবে দেখাবে। আমরা আসছি, অনেক কিছু নিয়ে। অপেক্ষায় থাকুন!

মিয়ানমারের একটি পরিত্যক্ত জেড খনিতে বৃষ্টির কারণে বর্জ্যের স্তূপ ধসে পাঁচজন মারা গেছেন এবং প্রায় ১৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে মঙ্গলবার দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। টানা কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টিতে পুরোনো খনির বর্জ্যের স্তূপ আলগা হয়ে পড়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা রত্নের টুকরো সংগ্রহে ব্যস্ত ছিলেন। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরাঞ্চলীয় কাচিন রাজ্যে, যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় জেডাইটের উৎস হিসেবে পরিচিত। মিয়ানমারের জেড শিল্পের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণহীন এবং দেশটির গৃহযুদ্ধে জড়িত বিভিন্ন পক্ষ অনেক খনির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে। দরিদ্র স্থানীয় মানুষ জীবিকার তাগিদে খনির ফেলে দেওয়া অংশ থেকে রত্নের টুকরো সংগ্রহ করেন। রাষ্ট্রীয় দৈনিক দ্য গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার জানিয়েছে, নিখোঁজদের সন্ধানে অনুসন্ধানকারীরা খননকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এই দুর্ঘটনা আবারও দেখিয়েছে, মিয়ানমারের জেড খনিতে অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকদের জীবন কতটা ঝুঁকিপূর্ণ।

Card image

সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা হাসপাতাল চালুর দাবিতে মঙ্গলবার সকালে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন। সকাল ১০টার দিকে কলেজের সামনে সিলেট–সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে এই কর্মসূচি চলে। এতে সড়কের দুই পাশে যানজট সৃষ্টি হয় এবং শত শত মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন। শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে হাসপাতাল চালুর কথা থাকলেও এখনো তা হয়নি। তারা অভিযোগ করেন, কর্তৃপক্ষ নানা অজুহাত দেখাচ্ছে এবং প্রতিশ্রুতি পূরণ করছে না। শিক্ষার্থীরা বলেন, ক্লিনিক্যাল ক্লাস ছাড়া চিকিৎসক হওয়া সম্ভব নয় এবং হাসপাতাল ছাড়া মেডিকেল কলেজ চালু করে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। ২১ জুন থেকে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে হাসপাতাল চালু, একাডেমিক কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা এবং পর্যাপ্ত ক্লিনিক্যাল ক্লাসের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা জানিয়েছেন, হাসপাতাল চালু না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

Card image

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে রিপাবলিকান প্রাইমারি রান-অফ নির্বাচনের পর ইসলামভীতি ও মুসলিমবিদ্বেষ তীব্র আকার ধারণ করেছে। স্থানীয় মুসলিমরা জানাচ্ছেন, স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, পার্ক ও দোকানসহ দৈনন্দিন জীবনের নানা স্থানে ঘৃণার প্রকাশ ঘটছে। হিউস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে নামাজরত শিক্ষার্থীদের সামনে কোরআন পোড়ানোর ঘটনা এবং ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরার কারণে মৌখিক লাঞ্ছনার অভিযোগ উঠেছে। টেক্সাস জিপি কনভেনশনে মুসলিম প্রতিনিধিদের খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ বা দেশ ছাড়ার হুমকি দেওয়া হয়। মুদি দোকানে দুই মুসলিম নারীকে লাঞ্ছিত করার ভিডিও ভাইরাল হলে অভিযুক্ত নারীর জন্য অনলাইনে তহবিল সংগ্রহ হয়, যা রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য ন্যান্সি মেস সমর্থন করেন। জুন মাসে টেক্সাস রিপাবলিকান পার্টির কনভেনশনে ‘ডোন্ট শরিয়াহ আওয়ার টেক্সাস’ শিরোনামে শরিয়াহ আইনকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। বিশেষজ্ঞরা জানান, টেক্সাসে কেউ শরিয়াহ আইন বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে না। মুসলিম নেতা ড. সুলেমান লালানি ও নায়লা সৈয়দ ধর্মীয় বিদ্বেষ ও রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এদিকে রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত শিক্ষা বোর্ড নতুন সামাজিক শিক্ষা খসড়া অনুমোদন করেছে, যেখানে দাসত্ব ও নাগরিক অধিকারের পাঠ সংকুচিত করা হয়েছে, যা সংখ্যালঘুদের আরও প্রান্তিক করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Card image

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এখন বিরোধী রাজনীতিতে নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। দলটি সংঘাতমূলক রাজনীতি থেকে সরে এসে নীতিনির্ভর ও প্রস্তাবভিত্তিক রাজনীতির পথে হাঁটছে। সদ্য অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদনেতা তারেক রহমানের সফল বিদেশ সফরের জন্য ধন্যবাদ জানানো প্রস্তাবে জামায়াত সমর্থন জানায়। দলীয় আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তারা নীতিগত বিরোধিতা করবেন, কিন্তু সরকারের ভালো উদ্যোগকে সমর্থন দেবেন। কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সভায় জামায়াত সাত দফা প্রস্তাব পেশ করে, যেখানে দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, বিচার, প্রশাসন, সীমান্ত নিরাপত্তা, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও শিক্ষকদের বেতনসহ জনজীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি হলো গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াত তৃণমূল সংগঠন শক্তিশালী করার কৌশল নিয়েছে। প্রবন্ধে বলা হয়েছে, জামায়াত এখন কেবল ইসলামপন্থী দল নয়, বরং রাষ্ট্র পরিচালনার বিকল্প নীতিমালা উপস্থাপন করছে। জনগণ এখন শুধু স্লোগান নয়, বাস্তব পরিকল্পনা দেখতে চায়। এই সাত দফা প্রস্তাব বাংলাদেশের রাজনীতিতে নীতি ও কর্মপরিকল্পনার প্রতিযোগিতার নতুন সূচনা হতে পারে।

Card image

দেশের বিভিন্ন জেলায় আরবি হরফসংবলিত পতাকা টানানোর বিষয়টি সরকার খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। সাংবাদিকরা জানতে চান, এসব পতাকা কারা টানাচ্ছে এবং সরকার এ বিষয়ে অবগত কি না। ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার বিষয়টি যাচাই করছে এবং কেন এমন হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে, কারণ এতে ভুল বার্তা যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি জানান, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং তিনি ব্যক্তিগতভাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন, তবে যারা লিখছেন, তারাই যে জড়িত, তা নয়। তথ্য উপদেষ্টা জানান, যেহেতু ঘটনাটি বিস্তৃতভাবে ঘটেছে, তাই এর পেছনে কোনো পরিকল্পনা আছে কি না, সেটিও সরকার খতিয়ে দেখছে।

Card image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) ওয়াশরুমে ছাত্রীদের গোপনে ভিডিও ধারণের সময় রিয়াজ আহমেদ নামে এক বহিরাগত যুবককে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীরা তার মুঠোফোনে গত ছয় মাসে ধারণ করা একাধিক ভিডিও পেয়ে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। ঘটনাটি ঘটে যখন শিক্ষার্থীরা সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে ব্রাজিল ও জাপানের ফুটবল বিশ্বকাপ খেলা দেখছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এক ছাত্রী সন্দেহজনকভাবে এক পুরুষকে ওয়াশরুমে ঢুকে দ্রুত বের হতে দেখেন। পরে শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করে ফোন তল্লাশি করে ওয়াশরুমের দরজার ছিদ্র দিয়ে ধারণ করা ভিডিও পান। শিক্ষার্থীদের দাবি, তার ফোনে প্রায় ১৪০টি ভিডিও পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত রিয়াজ প্রথমে অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে স্বীকার করেন যে তিনি আগেও ক্যাম্পাসে এসে ভিডিও করেছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম ঘটনাটিকে ন্যক্কারজনক বলে উল্লেখ করেন এবং জানান, অভিযুক্তকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। আশুলিয়া থানার পরিদর্শক মো. আজগর হোসেন বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং মামলা রুজু করে তদন্ত করা হবে।

Card image

চট্টগ্রামে জুলাই বিপ্লবে ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরামসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। মঙ্গলবার দুপুরে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের প্যানেল এই আদেশ দেন। মামলার সূচনা বক্তব্য ও প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য ২৬ জুলাই দিন ধার্য করা হয়েছে। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির। এদিন গ্রেপ্তার পাঁচ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়, যাদের মধ্যে ছিলেন সাবেক এমপি ফজলে করিম চৌধুরী ও যুবলীগ নেতা আজিজুর রহমান। আদালত তাদের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে অভিযোগ পাঠ করে শোনান। আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান। পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দীনসহ আরও কয়েকজন। এই আদেশের মাধ্যমে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু হলো।

Card image

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের প্যানেল এই রায় ঘোষণা করে। কুষ্টিয়ায় জুলাই বিপ্লবের সময় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। গত ১৪ মে যুক্তিতর্ক শেষে ৩০ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়। চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানান, ইনু আওয়ামী লীগ সরকারের সহযোগী দল হিসেবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২০২৪ সালে কারফিউ জারি ও আন্দোলনের একাংশকে জঙ্গি ট্যাগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষ ১০ জন সাক্ষী ও কথোপকথনের ভিডিও প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করে, যা থেকে অভিযোগ প্রমাণের চেষ্টা করা হয় যে ইনু সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে নিপীড়নের পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন। গত বছরের ১ ডিসেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে ১০ মার্চ শেষ হয়। আটটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গত ২ নভেম্বর বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল।

Card image

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি জানান, সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান, জুলাইয়ের খুনি ও মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার ত্বরান্বিত করা এবং শহীদ ওসমান বিন হাদীর খুনিদের বিচার দাবিতে ৫ আগস্ট পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে। সংবাদ সম্মেলন ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। এর মধ্যে রয়েছে ২ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত রাজধানীতে শহীদ, আহত ও পঙ্গু পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময়, স্মৃতিচারণ ও দোয়া অনুষ্ঠান; ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা; ১৮ থেকে ৩১ জুলাই সারা দেশে অনুরূপ কর্মসূচি। ১ আগস্ট সারা দেশে গণমিছিল, ২ থেকে ৪ আগস্ট শ্রমিক সংগঠনের কর্মসূচি এবং ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে ১১ দলের উদ্যোগে সমাবেশ ও মিছিলে অংশ নেবে জামায়াত। মহিলা, ছাত্র ও জুলাই যোদ্ধাদের ফোরামের কর্মসূচিতেও নেতারা অংশ নেবেন।

Card image

২০২৬ সালের ৩০ জুন প্রকাশিত এক বিশ্লেষণধর্মী নিবন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলা হয়েছে, প্রবল সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের মুখেও ইরান ভেঙে পড়েনি এবং আলোচনায় নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে। নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, সামরিক স্থাপনা ও অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ইরান ভূগোল, সস্তা প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ও আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের ওপর কৌশলগত ও অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আকাশশক্তি ও গোয়েন্দা সক্ষমতায় শ্রেষ্ঠত্ব দেখালেও যুদ্ধের ব্যয় ছিল বিপুল। কয়েক বিলিয়ন ডলার খরচের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ মুদ্রাস্ফীতি ও করের বোঝা বহন করেছে, অথচ অস্ত্রশিল্প লাভবান হয়েছে। লেখক সাবেক প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ারের সতর্কবার্তা স্মরণ করিয়ে দেন যে সামরিক-অস্ত্রশিল্প আঁতাত গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে। বাংলাদেশের জন্য শিক্ষা হিসেবে নিবন্ধে বলা হয়েছে, শক্তিশালী প্রতিবেশীর সঙ্গে সামরিক সমতা সম্ভব নয়, তবে সস্তা দেশীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, উপকূল ও সাইবার নিরাপত্তা এবং অভ্যন্তরীণ ঐক্য গড়ে তোলা জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার কার্যকর উপায় হতে পারে।

Card image

২০২৬ সালের ৩০ জুন আমার দেশ অনলাইনের এক প্রতিবেদনে স্মৃতিশক্তি ও মানসিক কর্মক্ষমতা হ্রাসের বিভিন্ন কারণ তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, অতিরিক্ত ক্লান্তি, মানসিক চাপ, কর্মব্যস্ততা, কোভিড-পরবর্তী প্রভাব, পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টির অভাব এবং থাইরয়েডজনিত সমস্যা সাময়িকভাবে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রবণতা তরুণ কর্মজীবীদের মধ্যেও বাড়ছে। পুষ্টিবিদদের মতে, পর্যাপ্ত পানি না পান করা স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ। শরীরে পানির ঘাটতি হলে মস্তিষ্কের কোষগুলোর তথ্য আদান-প্রদান ধীর হয়ে যায়, ফলে চিন্তা ও স্মরণশক্তি দুর্বল হয়। দীর্ঘমেয়াদি পানিশূন্যতা অকালবার্ধক্য ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে। এছাড়া বার্ধক্য, ঘুমের অভাব, ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি, মাথায় আঘাত, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, স্নায়বিক রোগ এবং সংক্রমণ বা স্ট্রোকও স্মৃতিশক্তি হ্রাসের কারণ হতে পারে। প্রতিবেদনটি পরামর্শ দেয়, পর্যাপ্ত পানি পান, সুষম খাদ্য, নিয়মিত ঘুম, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ ও ব্যায়াম মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য জরুরি। দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতিশক্তি সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Card image

২০২৬ সালের ১২ জুন ইন্টারপোলের রেড নোটিসে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, যিনি একসময় রাষ্ট্রযন্ত্রকে নিজের নিয়ন্ত্রণে ভাবতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত কমডোর জসীম উদ্দীন ভূঁইয়ার এই প্রবন্ধে বলা হয়েছে, কীভাবে প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষাকবচ উপেক্ষা ও নীতিগত ব্যত্যয় র‍্যাবের ভেতরে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির জন্ম দেয়। লেখকের মতে, র‍্যাবে কর্মকর্তাদের প্রেষণকাল দুই বছরের বেশি না রাখার প্রস্তাব মানা হলে এই বিপর্যয় এড়ানো যেত। প্রবন্ধে র‍্যাবের জন্মলগ্ন থেকে সেনাবাহিনী ও পুলিশের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার প্রচেষ্টা, দীর্ঘমেয়াদি প্রেষণ, রাজনৈতিক প্রভাব এবং বেনজীর আহমেদ ও জিয়ার প্রভাব বিস্তারের ফলে প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা কীভাবে ভেঙে পড়েছিল তা বিশদভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এই বিচ্যুতির ফলে পেশাদারিত্ব ও নৈতিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং রাষ্ট্রযন্ত্রে ক্ষমতার অপব্যবহার বৃদ্ধি পায়। লেখক নীতিনির্ধারক, সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তারা যেন এই অধ্যায় থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম ও নৈতিকতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন এবং ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয় রোধে কঠোর নীতিমালা অনুসরণ করেন।

Card image

বিলিয়ন ডলার আত্মসাৎ ও প্রতারণার মামলায় চীনা ধনকুবের গুও ওয়েনগুইকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত। একসময় চীনের অন্যতম ধনী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত গুও ২০১৭ সালে দুর্নীতির অভিযোগে দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যান। নিউইয়র্কের বিচারক অ্যানালিসা টরেস রায়ে বলেন, গুও গণতন্ত্রপন্থী সমর্থকদের শোষণ করে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেছেন এবং সেই অর্থ বিলাসবহুল জীবনযাপনে ব্যয় করেছেন। গুও, যিনি মাইলস গুও ও হো ওয়ান কোয়োক নামেও পরিচিত, যুক্তরাষ্ট্রে এসে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিতি পান। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে তিনি অনুসারীদের কাছ থেকে একশ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ সংগ্রহ করেন, যা চীনে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কাজে ব্যবহারের কথা ছিল। কিন্তু সেই অর্থ দিয়ে তিনি প্রাসাদ, ল্যাম্বরগিনি গাড়ি ও বিলাসবহুল ইয়ট কেনেন বলে আদালতে প্রমাণিত হয়েছে। গুও অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, সংগৃহীত অর্থ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যয় করা হয়েছে। তার সহযোগী ও ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা স্টিভ ব্যাননও তার সঙ্গে চীনবিরোধী প্রচারণায় যুক্ত ছিলেন।

Card image

দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে নীতি সুদহার ১০ শতাংশে রাখলেও বাংলাদেশ ব্যাংক মূল্যস্ফীতিকে ৭ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রায় নামাতে পারেনি। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের মুদ্রানীতি পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানা পদক্ষেপের পরও জুন ২০২৬ পর্যন্ত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। দুর্বল বাজারব্যবস্থা, সরবরাহ শৃঙ্খল সমস্যা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি ও পণ্যমূল্যের চাপকে এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি ১০ দশমিক ৮৯ শতাংশ থেকে ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশে নামলেও মে ২০২৬-এ তা আবার ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে ওঠে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশের অর্থনীতি উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে রয়েছে। খাদ্য, পরিবহন ও আবাসন-জ্বালানি খাত মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে। পরিবহন খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং আবাসন-জ্বালানি খাতে ৯ দশমিক ২৬ শতাংশে পৌঁছেছে। জ্বালানি ভর্তুকি কমানো ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এই চাপ বাড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, ২০২৬–২৭ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ধীরে ধীরে কমবে যদি সংকোচনমূলক নীতি অব্যাহত থাকে এবং সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নত হয়। আজ ঘোষিতব্য নতুন মুদ্রানীতিতেও সতর্ক অবস্থান বজায় রেখে নীতি সুদহার ১০ শতাংশেই অপরিবর্তিত রাখার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

Card image

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কের বিভিন্ন অংশে ভয়াবহ ধস দেখা দিয়েছে। টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি ও দুর্বল পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণে লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের মহিপুর এলাকায় সেতুর উত্তর প্রান্তে অন্তত ১৫টি স্থানে বড় গর্ত ও ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এতে যাত্রী, পথচারী ও যানবাহন চালকদের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে, বিশেষ করে রাতে গর্তগুলো স্পষ্ট বোঝা না যাওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়েছে। স্থানীয়রা জানান, রংপুর দ্বিতীয় তিস্তা সেতু থেকে কাকিনা হয়ে বুড়িমারী স্থলবন্দর পর্যন্ত এই সড়কটি উত্তরাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসা ও শিক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা অভিযোগ করেন, ভারী যানবাহনের চাপ, রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ও দুর্বল পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণে সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী সতর্ক করে বলেন, দ্রুত সংস্কার না হলে বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মো. ওবায়দুর রহমান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সংস্কারের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন যাতে ভবিষ্যতে একই সমস্যা না ঘটে।

Card image

আরো ফিড দেখতে লগইন করুন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।