Web Analytics
logo
নোটিশঃ একনজরের সবগুলো মডিউল এখনো একটিভেট না হওয়াতে শুধুমাত্র নিউজগুলো দেখাচ্ছে ফিডে। সবগুলো মডিউল একটিভ করার পর পুরো প্লাটফর্মের সকল একটিভিটিস/আপডেট এখানে ফিড হিসেবে দেখাবে। আমরা আসছি, অনেক কিছু নিয়ে। অপেক্ষায় থাকুন!

ইসরাইলে নেসেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আগামী ২৭ অক্টোবর; ভোটের আর ৫৬ দিন বাকি থাকতেই প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্রমশ দুর্বল মনে হচ্ছে। সাম্প্রতিক জনমত জরিপে তার দল লিকুদের সমর্থন কমার ইঙ্গিত মিলেছে। ঘুষ, জালিয়াতি ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ইসরাইলি আদালতে চলমান মামলার মধ্যে এই নির্বাচনকে তিনি নিজের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন। সরকারি সম্প্রচারমাধ্যমে রোববার সন্ধ্যায় প্রকাশিত জরিপে নেতানিয়াহুর জোট ৫২টি আসন, অনারব বিরোধী দলগুলো ৫৫টি এবং আরব আইনপ্রণেতারা ১৩টি আসন পেতে পারেন বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়। ১২০ সদস্যের নেসেটে সরকার গঠনে অন্তত ৬১ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন প্রয়োজন। বিরোধীরা আরব আইনপ্রণেতাদের সমর্থন চাইতে পারে, যদিও তাদের অধিকাংশ নেতা এখনো এমন জোটের বিরোধিতা করছেন। সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নতুন দল ইয়াশার ২৪টি আসন পেতে পারে, যেখানে লিকুদের সম্ভাব্য আসন ২১টি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আইজেনকোটকে উপযুক্ত মনে করেছেন ৪০ শতাংশ উত্তরদাতা; নেতানিয়াহুর পক্ষে মত দিয়েছেন ৩৭ শতাংশ। ডানপন্থী ভোট বিভক্তি ঠেকাতে ছোট দলগুলোর মধ্যে জোট গড়ার চেষ্টা করছেন নেতানিয়াহু, তবে জিউইশ পাওয়ার ও রিলিজিয়াস জায়োনিজমকে একীভূত করার উদ্যোগ সফল হয়নি।

Card image

রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের ট্রেন চলাচল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্বাভাবিক হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানায়, সকাল ৬টার দিকে আড়ানী-আব্দুলপুর অংশের পুরোনো রেললাইনের কয়েকটি স্থানে তীব্র গরমের কারণে ভাঙন দেখা দেয়। খবর পেয়ে রেলওয়ের প্রকৌশল বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামত শুরু করেন। আড়ানী ও আব্দুলপুর রেলস্টেশনের মধ্যবর্তী একাধিক স্থানে রেললাইন ভেঙে যাওয়ায় সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এতে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী বনলতা এক্সপ্রেস ও সিল্কসিটি এক্সপ্রেসসহ কয়েকটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ে স্টেশন ছাড়তে পারেনি। মেরামত শেষে আটকে থাকা ট্রেনগুলো নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। রেলওয়ে সূত্র বলছে, আড়ানী-আব্দুলপুর অংশটি রাজশাহীর সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের রেল যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল। পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ বলেন, যাত্রী ও ট্রেনের নিরাপত্তার জন্য ত্রুটিপূর্ণ অংশে চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল। শ্রমিক ও প্রকৌশলীরা ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করার পর পর্যায়ক্রমে সব রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।

Card image

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, জনগণের মতামত ও ভোটাধিকারকে দলটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয় এবং গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা বিএনপির অঙ্গীকার। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবারের আগে সোমবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। রিজভীর ভাষ্য, জাতীয় স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও বহুদলীয় গণতন্ত্র বিএনপির মূল আদর্শ এবং জিয়াউর রহমান প্রণীত ১৯ দফা কর্মসূচি দলের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের ভিত্তি। রিজভী জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং দলের জন্য আত্মত্যাগকারী নেতাকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি দলের নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীকে বিএনপির পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। রিজভী বলেন, জানমালের নিরাপত্তা, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় বিএনপি নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে। ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব, বৈষম্য ও সামাজিক অনাচার দূর করার পাশাপাশি কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, নারী ও শিশুসহ সব স্তরের মানুষের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

Card image

গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ছয় দফা দাবিতে আগামী শনিবার ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ করবে ১১ দলীয় ঐক্য। সোমবার বিকেলে রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে কর্মসূচিটি শান্তিপূর্ণভাবে পালনে সহযোগিতা চান। তিনি বলেন, লংমার্চে বাধা বা উস্কানি দেওয়া হলে সরকারের প্রতি জনঅনাস্থা আরও বাড়বে। পরওয়ারের ভাষ্য, জনদুর্ভোগ, আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করায় সরকার ব্যর্থতার প্রমাণ দিয়েছে। জোটের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে জুলাই গণহত্যার বিচার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও অপরাধ দমন, বিদ্যুৎ-জ্বালানি-সার সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা। তিনি বিরোধী দলের কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত করে অশান্তি সৃষ্টি না করার আহ্বান জানান। শাপলা চত্বরে সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত সমাবেশের পর বহরটি যাত্রা শুরু করবে। কাচপুর, কুমিল্লার পদুয়ারবাজার, ফেনীর মহিপাল ও চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে পথসভা শেষে লালদিঘি ময়দানে সমাবেশ হবে। আয়োজকেরা জানান, ঢাকা থেকে প্রায় এক হাজার গাড়ি যাত্রা করবে এবং পথে আরও গাড়ি যুক্ত হতে পারে।

Card image

বাংলাদেশ ব্যাংক এক হাজার কোটি টাকা বা তার বেশি ঋণস্থিতি থাকা প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপকে ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্টে খেলাপি ঋণ নিয়মিত করার সুযোগ দিয়েছে। ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ সোমবার এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে। নতুন নির্দেশনায় ঋণ পুনঃতফসিলের সর্বোচ্চ মেয়াদ আগের ১০ বছর থেকে বাড়িয়ে ১৫ বছর করা হয়েছে এবং কিস্তি পরিশোধে শুরুতে দুই বছর পর্যন্ত গ্রেস পিরিয়ডের সুবিধা রাখা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা ও আর্থিক ব্যবস্থা পুনর্গঠনে বিশেষ নীতি সহায়তার জন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে আবেদন করা যাবে। ওই তারিখ পর্যন্ত খেলাপি হওয়া ঋণই সুবিধার আওতায় আসবে। ব্যাংকগুলোকে ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে সব আবেদন নিষ্পত্তি করতে হবে। বিশেষ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান নির্ধারিত মেয়াদের বাইরে সর্বোচ্চ চার বছর সময় বাড়ানো যাবে। আগে বিশেষ নীতি সহায়তা পাওয়া ঋণগ্রহীতারাও নতুন সুবিধা পাবেন, তবে ইতোমধ্যে পার হওয়া গ্রেস পিরিয়ড নতুন সময়ের অংশ হিসেবে গণ্য হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, জ্বালানি সংকট, বাজারভিত্তিক সুদহারে বাড়তি ব্যয় এবং রপ্তানিমুখী শিল্পের সাময়িক ক্ষতির কারণে ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা কমেছে। খেলাপি ঋণ কমানোর ১৮ মাসের রোডম্যাপের আওতায় ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ নীতিগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

Card image

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদানের আগে জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব, সামরিক সক্ষমতা ও আঞ্চলিক কূটনৈতিক সমীকরণ মূল্যায়নের পরামর্শ দিয়েছেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। সোমবার, ৩১ আগস্ট রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনে ভয়েস ফর রিফর্ম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ মত উঠে আসে। বক্তারা বলেন, চুক্তিতে যোগ দিলে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা, সামরিক প্রশিক্ষণ, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। এফএসডিএস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ফজলে এলাহী আকবর বলেন, এতে সরঞ্জাম সরবরাহব্যবস্থা, সামরিক শিল্পের সক্ষমতা এবং সদস্যদেশগুলোর সঙ্গে আন্তকার্যক্ষমতা বাড়তে পারে। তবে ভারত বাংলাদেশের বিষয়ে সামরিক পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করতে পারে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ অবস্থান অনিশ্চিত বলেও তিনি সতর্ক করেন। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী চুক্তিটিকে প্রতিরক্ষামূলক বলে উল্লেখ করে এর শর্ত ও অংশগ্রহণকারী দেশগুলো সম্পর্কে জেনে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলেন। সাবেক কূটনীতিক সাকিব আলী যথাযথ ব্যয়-সুবিধা বিশ্লেষণ ও জনসমক্ষে পর্যাপ্ত তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানান। অন্য বক্তারা সংসদ, রাজনৈতিক দল ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বিস্তৃত আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় ঐকমত্য গঠনের ওপর জোর দেন। অধ্যাপক শাহাব এনাম খান বলেন, সদস্য আক্রান্ত হলে সম্মিলিত প্রতিক্রিয়ার কাঠামো থাকলেও তা স্বয়ংক্রিয় সামরিক পদক্ষেপের বাধ্যবাধকতা নয়; তাই সার্বভৌমত্ব ও নিজস্ব সামরিক সক্ষমতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

Card image

জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুমোদনের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর বিষয়েও মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি। সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে তথ্য মন্ত্রণালয়ের পিআইডি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ড. নাসিমুল গনি বলেন, বেসরকারি খাতের শিল্প ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বেতন বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় এসেছে, তবে এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, বেসরকারি খাতের অনেক প্রতিষ্ঠান প্রতিবছর ৫ বা ৭ শতাংশ হারে বেতন বাড়ায়। মন্ত্রিসভায় থাকা কয়েকজন নিয়োগকর্তাও এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। এর আগে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা আরও যৌক্তিক ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে সরকার জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুমোদন করে। নতুন বেতন স্কেলে সরকারি কর্মচারীদের বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে তাদের মূল বেতন পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

Card image

বাংলাদেশে তরুণ ও অবিবাহিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে এইচআইভি/এইডস সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এইচআইভি/এসটিডি কর্মসূচির সাম্প্রতিক তথ্য বলছে। ১৯৮৯ সালে দেশে প্রথম এইচআইভি রোগী শনাক্ত হওয়ার পর গত এক বছরে নতুন রোগী শনাক্তের হার আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। আগামী ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবসে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হলে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশে আনুমানিক ১৭ হাজার ৪৪০ জন এইচআইভি আক্রান্ত, যাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৪ হাজার ৩১৩ জন শনাক্ত হয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে অবিবাহিত তরুণ-তরুণীদের মধ্যে সংক্রমণের হার প্রায় ৪২ শতাংশে পৌঁছেছে এবং আক্রান্তদের বড় অংশের বয়স ২৫ থেকে ৪৯ বছর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, পরীক্ষা ও স্ক্রিনিং জোরদার হওয়ায় শনাক্তের সংখ্যা বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা সচেতনতার অভাব, অনিরাপদ আচরণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ঘাটতির কথা উল্লেখ করেছেন। শনাক্ত রোগীদের প্রায় ৫৬ শতাংশ নির্দিষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ বা ‘কি পপুলেশন’-এর অন্তর্ভুক্ত। নতুন রোগীদের মধ্যে ১২ শতাংশ প্রবাসী এবং ১১ শতাংশ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্য। বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে এইডস নির্মূলের লক্ষ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ৯৫-৯৫-৯৫ কৌশল গ্রহণ করেছে। তবে শনাক্তদের প্রায় ৭৪ শতাংশ নিয়মিত চিকিৎসার আওতায় রয়েছেন; ওষুধ অনিয়মিত গ্রহণ বা চিকিৎসা বন্ধের প্রবণতা এই হার কমাচ্ছে।

Card image

প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে করা এফআইআর বাতিলের জন্য সোমবার ভারতের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। একই সময়ে ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ইন্ডিয়া গেট থেকে দিল্লি পুলিশের সদর দপ্তর পর্যন্ত নতুন মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। সংগঠনটির অভিযোগ, আগের আন্দোলন প্রত্যাহারের সময় সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো এক মাসেও বাস্তবায়িত হয়নি। সিজেপির ভাষ্য অনুযায়ী, সরকার তিনটি দাবি পূরণের আশ্বাস দিলেও সেগুলো এখনও বাকি রয়েছে। দাবিগুলো হলো নিট-সংক্রান্ত অব্যবস্থার কারণে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর প্রত্যাহার এবং দিল্লি পুলিশ ও র‌্যাবের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া। সিজেপির নেতৃত্বে প্রশ্নফাঁসবিরোধী আন্দোলন দিল্লি থেকে কলকাতা, মুম্বাইসহ বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে। দিল্লি ও বিভিন্ন রাজ্যে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা ও এফআইআর করা হয়। যন্তর মন্তরে প্রায় এক মাস আন্দোলনের পর ২৫ জুলাই শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। শনিবারের মিছিল ঠেকানোর আবেদনে আদালত হস্তক্ষেপ করেনি এবং আইনশৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কা এখনই করার কারণ নেই বলে জানিয়েছে।

Card image

রাসায়নিক দুর্ঘটনায় আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে ‘কেমিক্যাল ইনসিডেন্ট প্রিপেয়ার্ডনেস ফর হসপিটালস (এইচওএসপিআরইপি)’ শীর্ষক দুই দিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আইএসপিআরের সোমবারের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রাসায়নিক শিল্পাঞ্চলের কাছাকাছি সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য ৩০ ও ৩১ আগস্ট এ আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (বিএনএসিডব্লিউসি) এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণটি পরিচালিত হয়। ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল এর ব্যবস্থাপনা করে। হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ মোট ৭৬ জন প্রশিক্ষণার্থী এতে অংশ নেন। প্রশিক্ষণে রাসায়নিক দুর্ঘটনার জন্য হাসপাতালের জরুরি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা, রাসায়নিক পদার্থে দূষিত ব্যক্তিদের ডিকন্টামিনেশন পদ্ধতি এবং আক্রান্তদের ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হয়। চিকিৎসাকালে চিকিৎসক, নার্স ও অন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা যাতে রাসায়নিকের সংস্পর্শে এসে দ্বিতীয়বার দূষিত না হন, সে বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

Card image

বৃহত্তর ঢাকার যানজট নিরসন এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সমন্বয় আনতে ২৪টি সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে সরকার। রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী কমিটির সভাপতি থাকবেন। ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সোমবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সমন্বয়হীনতা দূর করে যানজটের কারণ চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ এবং স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে কমিটি। সদস্যদের মধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সচিব এবং প্রধান কর্মকর্তারা রয়েছেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ, নারায়ণগঞ্জ এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র বা প্রশাসকরাও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। নয় দফা কার্যপরিধিতে চলমান পরিবহন সমস্যাকে অগ্রাধিকার দেওয়া, সংস্থাগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো এবং গণপরিবহন উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের সুপারিশ রয়েছে। কমিটি আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তি ব্যবহারের সুপারিশ, জনসচেতনতা ও ট্রাফিক আইনবিষয়ক প্রচার জোরদার এবং গৃহীত উদ্যোগের মূল্যায়ন ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে। প্রতি মাসের প্রথম রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় সভা হবে। সরকারি ছুটি হলে পরবর্তী কর্মদিবসে সভা অনুষ্ঠিত হবে।

Card image

সরকারি কর্মচারীদের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য প্রথমবারের মতো প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ অনুমোদনের সঙ্গে এই ভাতার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন প্রতি সন্তানের জন্য সরকারি কর্মচারীরা মাসে ৩ হাজার টাকা ভাতা পাবেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের জন্যই প্রথমবার এ প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা চালু করা হচ্ছে। জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ সরকারি কর্মচারীদের জন্য আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। বেতনস্কেল বাস্তবায়নের আর্থিক সংশ্লেষ এবং সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির ওপর এর প্রভাব বিবেচনায় সরকার চলতি ২০২৬-২৭ ও আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে এটি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Card image

সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত ‘জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬’ অনুমোদন করেছে সরকার। সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০১৫ সালের বর্তমান বেতনস্কেলের তুলনায় নতুন স্কেলে ১ম থেকে ১১তম গ্রেড পর্যন্ত প্রাথমিক মূল বেতন ১০০ শতাংশ বাড়বে। ১২তম থেকে ২০তম গ্রেডে এ বৃদ্ধি ১১৫ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ হবে। আর্থিক প্রভাব ও মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় পুরো বেতনস্কেল একযোগে কার্যকর না করে ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। স্বল্প আয়ের কর্মচারীদের অগ্রাধিকার দিয়ে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডে আগে বাস্তবায়ন করা হবে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ১ জুলাই ২০২৭ পর্যন্ত তিন ধাপে মূল বেতন কার্যকর হবে এবং সব ভাতা একযোগে ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে কার্যকর হবে। ১ম গ্রেডে প্রাথমিক মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১০ম গ্রেডে ১৬ হাজার থেকে ৩২ হাজার এবং ১১তম গ্রেডে ১২ হাজার ৫০০ থেকে ২৫ হাজার টাকা হবে। ২০তম গ্রেডে বেতন ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে, যেখানে বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ।

Card image

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশকে জনকল্যাণমূলক, গণতান্ত্রিক ও স্বনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠায় বিএনপি সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। মঙ্গলবার বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অক্ষুণ্ণ রেখে দলের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভার্থীরা দেশসেবায় আগামী দিনেও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবেন। তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৮ সালে ঢাকার রমনা বটমূলের খোলা চত্বরে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি দলটির প্রতিষ্ঠাকে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাসে যুগান্তকারী ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন; বলেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি দেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছেছিল। তিনি বলেন, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও সুশাসন রক্ষায় বিএনপি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ভূমিকা পালন করেছে। এ সংগ্রামে নিহত ও আহত নেতাকর্মীদের অবদানও তিনি স্মরণ করেন। তারেক রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটের সুযোগে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে এবং দলটির সরকার সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন ও নারীশিক্ষা সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছিল।

Card image

প্রতিবেদনটি প্রায় দুই দশকের আফগান যুদ্ধ শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ সংগ্রাম এবং ইরানের নতুন যুদ্ধে একই ধরনের চাপ তৈরির আশঙ্কা তুলে ধরেছে। আফগান যুদ্ধের বিশৃঙ্খল সমাপ্তির পাঁচ বছর পরও আফগানিস্তান যুক্তরাষ্ট্রে হামলার সন্ত্রাসী ঘাঁটি বা উড্ডয়ন কেন্দ্র হয়ে ওঠেনি বলে এতে বলা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ থেকে সরে আসা ও তা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন ইঙ্গিত দিয়েছেন। ২০১১ সালের মে মাসে ওসামা বিন লাদেন নিহত এবং আল-কায়েদা দুর্বল হওয়ার পর আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের বড় সুযোগ তৈরি হয়েছিল। তবু মার্কিন বিশ্বাসযোগ্যতা, আফগান মিত্রদের প্রতি দায় এবং নিহত-আহত সেনাদের ত্যাগের প্রশ্নে প্রেসিডেন্ট ও প্রতিরক্ষা দপ্তর যুদ্ধ চালিয়ে যায়। র‌্যান্ড করপোরেশনের অ্যান্ড্রু আর. হোয়েন বলেন, সাম্প্রতিক অধিকাংশ যুদ্ধ অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই নয়, বরং ‘সাম্রাজ্যের পাহারা দেওয়া’। মার্কিন হামলার জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। জেনারেল ড্যান কেইন বলেন, শুধু বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইরানকে পরাজিত করা বা নৌপথ পুরোপুরি খোলা সম্ভব নাও হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র এখন নৌ অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে চাপ বাড়াচ্ছে; কর্মকর্তারা কয়েক মাস বা তারও বেশি সময় অভিযান চলার কথা বলছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ অবরোধ অনির্দিষ্টকাল চলতে পারে বলে জানিয়েছেন।

Card image

আরো ফিড দেখতে লগইন করুন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।