Web Analytics
logo
নোটিশঃ একনজরের সবগুলো মডিউল এখনো একটিভেট না হওয়াতে শুধুমাত্র নিউজগুলো দেখাচ্ছে ফিডে। সবগুলো মডিউল একটিভ করার পর পুরো প্লাটফর্মের সকল একটিভিটিস/আপডেট এখানে ফিড হিসেবে দেখাবে। আমরা আসছি, অনেক কিছু নিয়ে। অপেক্ষায় থাকুন!

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সালেহ আহমেদ বলেছেন, ই-রিটার্ন বা অনলাইনে আয়কর রিটার্ন শুধু প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নয়, বরং একটি আধুনিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থার প্রতিফলন। রোববার ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ৯ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তাদের জন্য আয়কর রিটার্ন ইলেকট্রনিকভাবে দাখিল বিষয়ক লার্নিং সেশনে তিনি এ কথা বলেন। আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটের সহকারী কমিশনার একেএম মনিরুজ্জামান সেশনে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সিনিয়র সচিব বলেন, কার্যকর ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তুলতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা অপরিহার্য। সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ই-রিটার্ন বাধ্যতামূলক করা এই দুই মূলনীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। তিনি জানান, স্বয়ংক্রিয় ডেটা সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের ফলে আয়-ব্যয়ের অসামঞ্জস্য শনাক্ত করা সহজ হয়েছে, যা দুর্নীতি হ্রাস ও রাজস্ব বৃদ্ধিতে সহায়ক। তিনি আরও বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা শুধু আইনি নয়, নৈতিক দায়িত্বও। ই-রিটার্ন ব্যবস্থা প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে কাজ করছে এবং সাধারণ জনগণের কর প্রদানে আস্থা ও আগ্রহ বাড়াচ্ছে।

Card image

যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিসে অভিবাসন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আইসিই কর্মকর্তার গুলিতে অ্যালেক্স প্রেটি নামে এক মার্কিন নাগরিক নিহত হওয়ার পর দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। শনিবারের এই ঘটনাটি চলতি মাসে মিনিয়াপোলিসে আইসিই কর্মকর্তার গুলিতে দ্বিতীয় মৃত্যুর ঘটনা। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী কঠোর অভিযানের বিরুদ্ধে প্রায় ১০ হাজার মানুষের বিক্ষোভের একদিন পরই প্রেটির মৃত্যু ঘটে। গুলির ঘটনার পর শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হলে আইসিই সদস্যরা টিয়ার শেল ও ফ্ল্যাশব্যাং গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। বিক্ষোভ মিনিয়াপোলিস ছাড়িয়ে নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন ডিসি ও সান ফ্রান্সিসকোসহ বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে। ফেডারেল কর্মকর্তারা দাবি করেন, প্রেটির কাছে অস্ত্র ছিল, তবে স্থানীয় নেতারা এ দাবি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের গভর্নর টিম ওয়ালজ ঘটনাটিকে ভয়াবহ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, ফেডারেল সরকারের তদন্তে আস্থা রাখা যায় না। তিনি ও অন্যান্য স্থানীয় কর্মকর্তারা অবিলম্বে অভিবাসনবিরোধী অভিযান বন্ধের দাবি জানান।

Card image

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, তবে চট্টগ্রামে গণভোটের প্রচার কার্যক্রমে তেমন গতি নেই। সরকারি উদ্যোগে প্রচার সীমিত, শহর ও উপজেলায় তেমন তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কেবল জামায়াতে ইসলামী ঘরে ঘরে লিফলেট বিতরণ করছে, অন্যদিকে বিএনপি সরকারের প্রচারপদ্ধতির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে অংশ নিচ্ছে না। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এখনো দৃশ্যমান প্রচারে নামেনি, তবে শিগগিরই সক্রিয় হবে বলে জানিয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষ গণভোট সম্পর্কে বিভ্রান্ত ও অনবহিত। শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে অধিকাংশই জানেন না গণভোটের উদ্দেশ্য কী। সরকারপক্ষ থেকে উপদেষ্টা ও কর্মকর্তারা ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রচার জোরদারের আহ্বান জানালেও উপজেলা পর্যায়ে এখনো সেমিনার বা প্রচার কার্যক্রম শুরু হয়নি। জামায়াতে ইসলামী বিশেষ প্রচার সপ্তাহ ঘোষণা করেছে, আর জেলা প্রশাসন জানিয়েছে ভিডিও প্রচার, লিফলেট বিতরণ ও উঠান বৈঠক চলছে। তবে সমাজকর্মীরা মনে করছেন, সরকারি প্রচেষ্টা এখনো তৃণমূলে কার্যকরভাবে পৌঁছায়নি।

Card image

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে আমদানিকৃত পণ্যের দাম বৃদ্ধি ট্যারিফ নয়, বরং ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে হয়েছে। রবিবার রাজস্ব ভবনে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত দেড় বছরে ফল আমদানিতে কোনো নতুন ট্যারিফ বাড়ানো হয়নি, বরং ট্যারিফ ও উৎসে করের হার কমানো হয়েছে। তিনি জানান, দুই বছর আগে ডলারের মূল্য ছিল ৮০ টাকা, বর্তমানে তা বেড়ে ১২৫–১২৬ টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা আমদানি ব্যয় বাড়িয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকার চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর ট্যারিফ বাড়ায়নি, বরং জনস্বার্থে তা কমিয়েছে, যদিও এতে রাজস্ব আদায় কমবে। ট্যারিফ বৃদ্ধি কেবল দেশীয় শিল্প সুরক্ষার জন্য এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই করা হয়। বর্তমানে কাস্টমসের মূল কাজ রাজস্ব সংগ্রহ নয়, বরং বাণিজ্য সহজীকরণ ও পাচার প্রতিরোধ। রাজস্ব বাড়াতে হলে আয়কর ও ভ্যাট আদায় বাড়াতে হবে এবং এ লক্ষ্যে এনবিআর কাজ করছে বলে তিনি জানান।

Card image

রাজশাহী বিভাগে ২০২৪ সালের আগস্টে বিভিন্ন থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি থেকে লুণ্ঠিত ৯২টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১১ হাজারের বেশি গুলি এখনো উদ্ধার হয়নি। প্রশাসন আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের আশ্বাস দিলেও মাঠ পর্যায়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে। রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান স্বীকার করেছেন, হারানো অস্ত্রগুলো নির্বাচনে ব্যবহৃত হতে পারে। অন্যদিকে বিভাগীয় কমিশনার ড. বজলুর রশীদ জানিয়েছেন, নির্বাচনের প্রস্তুতিতে বড় কোনো চ্যালেঞ্জ নেই। বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বিষয়টিকে জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাহমুদুল হক বলেছেন, বেসামরিক মানুষের হাতে অস্ত্র থাকা পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করতে পারে। সমাজকর্মী নাসরিন বেগম মনে করেন, এই ভয় ভোটারদের অংশগ্রহণ কমিয়ে দিতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক আনোয়ার হোসেন সতর্ক করেছেন, অস্ত্র উদ্ধার না হলে নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়বে। অপরাধ বিশ্লেষকরা যৌথবাহিনীর অভিযান জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, দ্রুত অস্ত্র উদ্ধার ও বিচারিক পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনের নিরাপত্তা ও জনগণের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

Card image

কক্সবাজার শহরের সক্রিয় কিশোর গ্যাং ‘হাসনাত বাহিনী’র প্রধান আবুল হাসনাতকে রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সেনাবাহিনী আটক করেছে। দক্ষিণ রুমালিয়ার ছড়া এলাকার তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সেনাবাহিনী দুটি দেশীয় তৈরি ধারালো অস্ত্র ও ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। পরে তাকে কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়। সূত্র অনুযায়ী, আবুল হাসনাতের বিরুদ্ধে ১৯টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে একটি হত্যা মামলা, তিনটি অস্ত্র মামলা, ছয়টি ডাকাতি মামলা এবং নয়টি অন্যান্য মামলা অন্তর্ভুক্ত। সেনাবাহিনীর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হাসনাত ও তার অনুসারীরা দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজার শহর ও সমুদ্র সৈকত এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। এই চক্রটিকে ধরতে গোয়েন্দা নজরদারি চলছিল। সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে এ ধরনের কিশোর গ্যাং সদস্যদের ধরতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Card image

ঢাকা-১১ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী ও আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস ও দখলবাজদের রাজনীতির অবসান ঘটবে। রোববার সকালে নিজ নির্বাচনি এলাকায় প্রচারণাকালে তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে এসব চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের শেষ দিন। নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, একটি পক্ষ তার কর্মী-সমর্থকদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করছে, তবে এসব অপচেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে। তিনি ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এবারের নির্বাচন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ও ভাগ্য নির্ধারণ করবে। তিনি সতর্ক করেন, কোনো প্রলোভন, সুবিধা বা মিথ্যা আশ্বাসে প্রভাবিত হয়ে ভোট না দিতে। নাহিদ আরও বলেন, চিন্তাভাবনা করে যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে, যিনি এলাকার ও দেশের প্রকৃত পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবেন।

Card image

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের কোনো মানুষ চাঁদাবাজিকে নতুন পেশা হিসেবে দেখতে চায় না। রোববার যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় ১০ দলীয় জোট আয়োজিত ঢাকা-৪ ও ৫ আসনের এমপি প্রার্থীদের সমর্থনে নির্বাচনি সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। চাঁদাবাজদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাদেরও সম্মানের কাজ দেওয়া হবে এবং সমাজে আর মুখ ঢেকে চলতে হবে না। তিনি বলেন, তরুণদের হাতে বেকার ভাতা নয়, তাদের বাংলাদেশ গড়ার কারিগরে পরিণত করা হবে। দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে এলাকার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, বাংলাদেশে কোনো আধিপত্যবাদী ছায়া দেখতে চান না এবং বিশ্বের সব সভ্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চান। ৫৪ বছরের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে ফ্যাসিবাদী বলে অভিহিত করে তিনি এর আমূল পরিবর্তনের আহ্বান জানান। জুলাই শহীদদের প্রতি সম্মান জানাতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

Card image

মিয়ানমারে মাসব্যাপী সাধারণ নির্বাচনের শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ রোববার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সামরিক জান্তা সরকারের অধীনে আয়োজিত এই নির্বাচনে সেনাবাহিনীর সমর্থনপুষ্ট ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি) বিপুল জয় পেতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সমালোচকদের মতে, এই ভোটের মূল উদ্দেশ্য সামরিক শাসনকে বেসামরিক বৈধতার আড়ালে দীর্ঘায়িত করা। ভোর ৬টা থেকে ভোট শুরু হলেও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে থাকা বিস্তীর্ণ এলাকায় ভোটগ্রহণ সম্ভব হয়নি। দীর্ঘদিন সামরিক শাসনের অধীনে থাকা মিয়ানমার ২০১০-এর দশকে কিছু বেসামরিক সংস্কারের পথে এগোলেও ২০২১ সালের অভ্যুত্থানে তা থেমে যায়। তখন গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চিকে গ্রেপ্তার করা হলে দেশজুড়ে গৃহযুদ্ধ ও মানবিক সংকট শুরু হয়। সেনাবাহিনী জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও সু চিকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখা এবং তার দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) বিলুপ্ত করার কারণে ভোটটি সামরিক মিত্রদের পক্ষে সাজানো বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের প্রভাবাধীন ইউএসডিপি আগের ধাপগুলোতে অধিকাংশ আসনে জয় পেয়েছে। নবনির্বাচিত সংসদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে, যেখানে জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং প্রার্থী হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Card image

আদালতের আদেশ অমান্য করার অভিযোগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। কেন তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে এই রুল জারি করা হয়। রোববার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। মামলার তথ্য অনুযায়ী, অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ ‘কৃষক শ্রমিক জনতা পার্টি’ নামে একটি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য সিইসির কাছে আবেদন করেছিলেন। আবেদনটি নিষ্পত্তি না হওয়ায় তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন। পরে আদালত এ বিষয়ে আদেশ দেন, কিন্তু সেই আদেশ বাস্তবায়ন না করায় আদালত অবমাননার অভিযোগে রুল জারি করা হয়। এই রুলের মাধ্যমে আদালত নির্ধারণ করবে সিইসির কার্যক্রম আদালত অবমাননার আওতায় পড়ে কি না এবং প্রয়োজনে পরবর্তী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Card image

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন, দলের কেউ সন্ত্রাসে জড়িত থাকলে তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না এবং যেকোনো মূল্যে দুর্নীতি দমন করা হবে। রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে এক বিশাল নির্বাচনি সমাবেশে তিনি এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, দলের ভেতরেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিএনপির নির্বাচনি স্লোগান ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ উল্লেখ করে তারেক রহমান গণতন্ত্রের পক্ষে সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ওয়াসিমসহ জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা দিতে হলে ধানের শীষের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে হবে। সমাবেশে তিনি চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি আরও জানান, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ১ লাখ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ও খাল খনন কর্মসূচি চালু করা হবে। মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া এবং চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

Card image

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ‘বিভ্রান্ত ভাঁড়’ বলে অভিহিত করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। জেলেনস্কি ইরান সরকার সাধারণ মানুষ হত্যা করে ক্ষমতায় থাকতে চায়—এমন মন্তব্য করার পর আরাগচি সামাজিক মাধ্যম এক্সে এই প্রতিক্রিয়া জানান। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে তিনি এই মন্তব্য করেন। আরাগচি অভিযোগ করেন, জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের করদাতাদের অর্থ নিজের ও দুর্নীতিগ্রস্ত সেনা কর্মকর্তাদের পকেটে নিচ্ছেন। তিনি লেখেন, ইরানিরা নিজেদের রক্ষা করতে জানে এবং বিদেশিদের সাহায্যের জন্য ভিক্ষা করার প্রয়োজন নেই। আরাগচির দাবি, জেলেনস্কি জাতিসংঘ সনদ লঙ্ঘনকারী আগ্রাসনের অজুহাতে পশ্চিমা অর্থ ব্যবহার করছেন, অথচ একই সময়ে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলার আহ্বান জানাচ্ছেন। জেলেনস্কিকে উদ্দেশ্য করে আরাগচি বলেন, বিশ্ব এখন বিভ্রান্ত ভাঁড়দের দেখে ক্লান্ত এবং ইরানিরা বিদেশি মদত ছাড়াই নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম।

Card image

একটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ মাদক ব্যবহার করে, যাদের অধিকাংশই তরুণ। ২০২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি রোববার রাজধানীর শাহবাগের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। মানবদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণায় দেখা যায়, দেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মাদক হলো গাঁজা, এরপর রয়েছে ইয়াবা, হেরোইন, ফেনসিডিল ও কোডিনজাত কাশি সিরাপ। গবেষণায় আরও জানা যায়, ৬০ শতাংশ মাদকসেবী ১৮ বছরের আগেই মাদক গ্রহণ শুরু করে, অথচ চিকিৎসা বা পুনর্বাসন সেবা গ্রহণকারীর সংখ্যা খুবই কম। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দলটি দেশের আট বিভাগে ১৩ জেলা ও ২৬ উপজেলা থেকে ৫ হাজার ২৮০ জনের তথ্য সংগ্রহ করে। গবেষণায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলে মাদক ব্যবহার বেশি হলেও গ্রামাঞ্চলেও এর বিস্তার দ্রুত বাড়ছে। ঢাকা বিভাগে মাদকসেবীর সংখ্যা সর্বাধিক, আর বরিশালে সর্বনিম্ন। ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণের প্রবণতা বাড়ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, মাদক সমস্যা কেবল আইনশৃঙ্খলার নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য ইস্যু। তারা প্রতিরোধ, চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও তরুণদের জন্য সচেতনতা কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান জানান।

Card image

২০২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি প্রকাশিত ‘আমার দেশ অনলাইন’-এর এক বিশ্লেষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘গাজা শান্তি বোর্ড’-কে এক ফাঁকা ও অনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা শান্তিকে আর্থিক লেনদেনে পরিণত করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ৬০টি দেশে বোর্ডের খসড়া সনদ বিতরণ করে সদস্যপদ পেতে এক বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত দাবি করা হয়েছে। এতে গাজার পুনর্গঠনকে ন্যায়বিচার বা আত্মনিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে রূপ দেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বোর্ডের কাঠামো অর্থনির্ভর, যেখানে সদস্যপদ অর্থ প্রদানের মাধ্যমে নির্ধারিত এবং সিদ্ধান্তের ক্ষমতা এককভাবে চেয়ারম্যানের হাতে। এতে ফিলিস্তিনিদের কোনো ভূমিকা নেই এবং আন্তর্জাতিক আইন, জেনেভা কনভেনশন বা জাতিসংঘ প্রস্তাবের উল্লেখও অনুপস্থিত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই উদ্যোগ জাতিসংঘ কাঠামো এড়িয়ে দায়বদ্ধতা থেকে মুক্ত থেকে একটি সমান্তরাল শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলছে। প্রবন্ধে উপসংহারে বলা হয়েছে, গাজায় প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি, মানবিক সহায়তার প্রবেশাধিকার, অপরাধের জবাবদিহিতা এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে ফিলিস্তিনি নেতৃত্বাধীন পুনর্গঠন।

Card image

বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ রাজনৈতিক অধিকার ও পরিবর্তন চায়। তিনি রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের পোলোগ্রাউন্ড মাঠে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় এ কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, শুধু সমালোচনায় দেশের মানুষের উপকার হবে না এবং বিএনপি জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চায়। তিনি জানান, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে এবং চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে এক লাখ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপন ও খাল খনন কার্যক্রম চালু করা হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। এই সমাবেশটি বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দলটির উন্নয়ন, সুশাসন ও দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান তুলে ধরা হয়।

Card image

আরো ফিড দেখতে লগইন করুন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।