কুয়েট শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. মো. ফারুক হোসেন বলেন, একজন ভাইচ চ্যান্সেলরের মর্যাদার প্রশ্নের জায়গায় আমরা অটুট আছি। যেহেতু সরকার এখানে হস্তক্ষেপ করেছেন, তারা যদি কোন দোষ ত্রুটি খোঁজে পান, তাহলে ব্যবস্থা নিবেন। সেটা যদি না হয়, এইভাবে কোনো গ্রুপের চাপে একজন ভাইস চ্যান্সেলার কে পদত্যাগ করতে হবে, আমরা এর তীব্র বিরোধিতা করছি। আরও বলেন, ঘটনার জেরে ছাত্রদের দ্বারা শিক্ষকরাও নির্যাতিত হয়েছে। শিক্ষক নির্যাতনের বিচার না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষকরাও একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রাখবে। সভাপতি প্রফেসর ড. মো. সাহিদুল ইসলাম বলেন, "আজ শিক্ষা উপদেষ্টা আমাদের সঙ্গে কথা বলেননি, এতে আমরা অত্যন্ত মর্মাহত।"