মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নবগঠিত শান্তি বোর্ডের কার্যকারিতা ও লক্ষ্য নিয়ে ইউরোপীয় নেতারা সংশয় প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার ব্রাসেলসে ইউরোপীয় নেতাদের এক শীর্ষ সম্মেলন শেষে ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা জানান, গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্র ও নতুন বোর্ডের সঙ্গে কাজ করতে ইইউ প্রস্তুত, তবে বোর্ডের কাজের পরিধি, পরিচালনা পদ্ধতি ও জাতিসংঘ সনদের সঙ্গে সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের অনুষ্ঠানে বোর্ড অব পিস আত্মপ্রকাশ করে, যেখানে ১৯টি দেশের নেতা ও প্রতিনিধি সনদে স্বাক্ষর করেন। ট্রাম্প জানান, স্থায়ী সদস্য হতে দেশগুলোকে ১০০ কোটি ডলার দিতে হবে। গাজা পুনর্গঠনের তদারকি করার কথা থাকলেও, বোর্ডের ক্ষমতা ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ছাড়িয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা জাতিসংঘের বিকল্প হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ জানান, তার দেশ এই সংস্থায় যোগদানের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছে। ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যও বোর্ড নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে, আর লন্ডন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। ফ্রান্স বলেছে, বোর্ডের বর্তমান কাঠামো তাদের আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার ও জাতিসংঘ সদস্যপদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।