প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস রোবাবর চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল—কথিত প্রতিশ্রুতিগুলোকে কাগজ থেকে মাঠ পর্যায়ে নিয়ে আসা। দুই-তিন বছর অপেক্ষা নয়; এখনই প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন শুরু করতে চায় উভয় দেশ। মোংলা ও আনোয়ারার অর্থনৈতিক অঞ্চল দুটি নিয়ে প্রস্তুতি প্রায় শেষ। প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেই তা দ্রুত ডেভেলপারদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। চীন থেকে চারটি নতুন জাহাজ সংগ্রহের চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে, যা জুনের মধ্যেই বাস্তবায়িত হবে। একইসঙ্গে কুনমিং–চট্টগ্রাম সরাসরি ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনাও চলছে। চট্টগ্রামে বিশেষ বার্ন ইউনিটের পাশাপাশি ১,০০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণে চীনের অঙ্গীকার বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের জন্য এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। ৫০ বছরের জল ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা।