প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত দীর্ঘ বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকের মূল আলোচ্য ছিল নতুন প্রধান তথ্য কমিশনার (সিআইসি) নিয়োগ প্রক্রিয়া, যেটি সেপ্টেম্বর থেকে শূন্য রয়েছে। তবে বৈঠকের অস্বাভাবিক দীর্ঘতা ইঙ্গিত দিচ্ছে, আলোচনায় আরও বিস্তৃত রাজনৈতিক বিষয়ও থাকতে পারে।
ভারতের সংবিধান অনুযায়ী, সিআইসি নিয়োগের জন্য প্রধানমন্ত্রী, তাঁর মনোনীত মন্ত্রী এবং বিরোধী দলনেতা নিয়ে একটি কমিটি গঠিত হয়। সূত্রের দাবি, রাহুল গান্ধী প্রস্তাবিত সব নামই খারিজ করেছেন এবং লিখিত আপত্তিও জানিয়েছেন। বর্তমানে মাত্র দুই কমিশনার প্রায় ৩১ হাজার আরটিআই মামলার ভার সামলাচ্ছেন, ফলে নিষ্পত্তির গতি কমে গেছে।
বিরোধী দলের অভিযোগ, সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে নিয়োগ বিলম্ব করছে, এতে স্বচ্ছতা ও তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বৈঠকে সংসদের অচলাবস্থা, বিতর্কিত বিল ও অর্থনৈতিক চাপ নিয়েও আলোচনা হয়েছে হতে পারে। তবে বৈঠক শেষে কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি, ফলে আলোচনার প্রকৃত বিষয় এখনো অনিশ্চিত।