এয়ারবাসের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান ভার্শ সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টাকে বলেন, আমরা বাংলাদেশকে একটি প্রধান অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছি। এয়ারবাস বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে অংশীদারিত্বে আগ্রহী এবং প্রতিষ্ঠানটিকে লাভজনক করে তুলতে চায়। তিনি বলেন, বছরে ৮০০টি বিমান সরবরাহকারী এয়ারবাসের হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমান তৈরিরও অভিজ্ঞতা রয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ বিমানের বহর আধুনিকায়নের সব প্রস্তাব শোনার জন্য আমি প্রস্তুত, তবে কোনো সিদ্ধান্ত তড়িঘড়ি করে নেওয়া হবে না। ভ্যান ভার্শ জানান, যদি বাংলাদেশ বিমানে এয়ারবাস যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে মোট অর্থের ৮৫ শতাংশই এক্সপোর্ট ক্রেডিট এজেন্সি (ইসিএ) অর্থায়নের মাধ্যমে মেটানো যাবে।