সোমবার হোয়াইট হাউজে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। দেড় ঘণ্টা স্থায়ী সেই বৈঠক শেষে তিনি বলেন, এখানে আমরা যারা উপস্থিত আছি, তারা সবাই তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী শান্তির পথে পৌঁছানোর উপায় বলে মনে করি এবং সম্ভবত এমনটা হতেও পারত; কিন্তু আপাতত তা হচ্ছে না। আর আমি জানি না যে এই অবস্থায় এটা প্রয়োজনীয় কি না। আমি নিজে যুদ্ধবিরতি পছন্দ করি। কারণ এর মাধ্যমে আপনি তাৎক্ষণিকভাবে হত্যা থামাতে পারেন; কিন্তু আমি এ-ও বিশ্বাস করি যে সবকিছুর শেষে আমাদের একটি টেকসই শান্তিচুক্তি প্রয়োজন যা স্থায়ীভাবে সহিংসতা বন্ধ করতে পারে। এটা খুবই সম্ভব এবং নিকট ভবিষ্যতেই এমন একটি চুক্তি হতে পারে।’ এ বিষয়ে জার্মানির চ্যান্সেলর ম্যার্ৎস বলেন, "শান্তি আলোচনায় বসার আগে যুদ্ধবিরতি অপরিহার্য। আমি কল্পনাও করতে পারি না যে কোনো যুদ্ধবিরতি ছাড়া পরবর্তী বৈঠক শুরু হবে। এজন্য রাশিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে।" ট্রাম্প ও জেলেনস্কির বৈঠক শেষে ইউরোপীয় শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। তার আগেই সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।