গত ১০ নভেম্বর দিল্লির লাল কেল্লার কাছে গাড়ি বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১২ জন নিহত হওয়ার পর ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেটিং এজেন্সি (এনআইএ) কাশ্মিরের বিভিন্ন হাসপাতালে তল্লাশি অভিযান চালায়। চিকিৎসকদের লকার ও কক্ষ তল্লাশি করে আটজনকে, যার মধ্যে একজন নারী চিকিৎসকও আছেন, গ্রেপ্তার করা হয়। এনআইএ জানায়, আত্মঘাতী হামলাটি ফরিদাবাদের আল ফালাহ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির এক কাশ্মিরি চিকিৎসক পরিচালনা করেছিলেন।
এই অভিযানের ফলে কাশ্মিরি চিকিৎসক সমাজে ব্যাপক আতঙ্ক ও মানসিক চাপ তৈরি হয়েছে। অনেক চিকিৎসক জানিয়েছেন, নিরাপত্তার স্বার্থে অভিযান হলেও এর পদ্ধতি ও সামাজিক মাধ্যমে প্রচার তাদের পেশাগত ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাকিনা ইতো তদন্ত সংস্থাগুলিকে প্রোটোকল মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন, আর সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি সতর্ক করেছেন যেন কয়েকজনের অপরাধের দায়ে পুরো চিকিৎসক সমাজকে সন্দেহের চোখে না দেখা হয়।
পুলিশ বলছে, এটি নিয়মিত নিরাপত্তা প্রোটোকলের অংশ, তবে চিকিৎসকদের মধ্যে উদ্বেগ ও অবিশ্বাস বাড়ছে।