Web Analytics

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষণা করেছে যে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে সারা দেশের ভোটকেন্দ্রে এক হাজার ড্রোন উড়ানো হবে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য নির্বাচনি সহিংসতা রোধ করা এবং দুর্গম ও সংবেদনশীল এলাকায় কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করা। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প, পার্বত্য অঞ্চল এবং টেকনাফ থেকে ফেনী পর্যন্ত সীমান্ত এলাকায় এই বিশেষ নজরদারি পরিচালিত হবে। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ জানান, বিমান বাহিনীর কারিগরি সহায়তায় ড্রোনগুলো উপগ্রহের মতো কাজ করবে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের কেন্দ্রীয় সমন্বয় সেলে রিয়েল-টাইম ভিডিও ও তথ্য পাঠাবে।

ইসির সূত্র জানায়, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে মাঠে থাকবে ডিজিএফআই, এনএসআই, র‌্যাব ও বিজিবিসহ ২১টি আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থা। ড্রোনের মাধ্যমে কোনো নাশকতা, অস্ত্র প্রদর্শন বা গোপন তৎপরতা ধরা পড়লে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুরো প্রক্রিয়া পরিচালনায় ব্যবহৃত হবে বিশেষায়িত ‘ই-মনিটরিং’ অ্যাপ। দুর্গম পাহাড় ও চরাঞ্চলে প্রার্থীর কর্মী-সমর্থক ও ভোটারদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকায় বহিরাগত প্রভাব ঠেকাতে বিশেষ স্কোয়াড কাজ করবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা একে বাংলাদেশের নির্বাচনি ইতিহাসে একটি বড় প্রযুক্তিগত মাইলফলক হিসেবে দেখছেন, যা ভোটারদের মধ্যে নিরাপত্তা ও আস্থার পরিবেশ তৈরি করবে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!