জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশে প্রার্থীদের জন্য সমান প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবেশ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের অভাব নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শরীফ ওসমান হাদীর ওপর হামলার ঘটনায় এই প্রশ্ন আরও তীব্র হয়েছে—রাষ্ট্র কি নিরাপত্তা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে পারছে? লেখক মনে করেন, সমান সুযোগ নিশ্চিত করা কেবল একটি আদর্শ নয়, এটি গণতন্ত্রের পরিপক্বতার বাস্তব মাপকাঠি।
প্রবন্ধে বলা হয়েছে, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তিনটি স্তম্ভ অপরিহার্য—নিরাপত্তার সমতা, সম্পদের সমতা এবং আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ। যখন কিছু প্রার্থী প্রশাসনের ছত্রছায়ায় সুবিধা ভোগ করেন আর অন্যরা নিরাপত্তাহীনতা ও অর্থনৈতিক সংকটে পড়েন, তখন গণতন্ত্রের ভিত্তি দুর্বল হয়। এই বৈষম্য ভোটারদের আস্থা নষ্ট করে, তাদের ভোটকেন্দ্র থেকে দূরে সরিয়ে দেয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা কমিয়ে দেয়।
লেখক আহ্বান জানান, নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে হবে এবং প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। নিরপেক্ষতা বজায় রাখা শুধু দায়িত্ব নয়, এটি গণতন্ত্র রক্ষার শপথ।