২০২৬ সালের ১০ জানুয়ারি প্রকাশিত ‘আমার দেশ’ পত্রিকার এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে ব্যাপক ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে দেশ গভীর সংকটে পড়তে পারে। জরিপে দেখা গেছে, প্রধান দুটি দলের জনসমর্থন প্রায় সমান, ফলে সামান্য কারচুপিতেই আসনসংখ্যায় বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে। এতে ২০১৪ বা ২০১৮ সালের মতো ফলাফল দেখা দিতে পারে, যা দেশি-বিদেশি পর্যায়ে গ্রহণযোগ্য হবে না বলে মন্তব্য করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে সম্ভাব্য ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের নানা কৌশল তুলে ধরা হয়েছে—নির্বাচনের আগে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার বা আতঙ্ক সৃষ্টি, ভোটকেন্দ্র দখল, ভোট গণনায় ফলাফল পরিবর্তন, এবং রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠানোর সময় ফলাফল পাল্টে দেওয়া। এছাড়া নির্বাচনের আগে প্রশাসন, গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক মহলের আচরণে এমন পরিবেশ তৈরি করা হতে পারে যাতে জনগণ নির্দিষ্ট দলকে বিজয়ী ভাবতে শুরু করে।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রযন্ত্রই এসব প্রক্রিয়ায় প্রধান ভূমিকা পালন করে এবং গত ১৫ বছর ধরে প্রশাসন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনি। প্রশাসনিক সংস্কার না হলে আসন্ন নির্বাচনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কতটা বিস্তৃত হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।