আগামীকাল শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ, যেখানে বগুড়া জেলাকে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতার কেন্দ্র হিসেবে দেখা হচ্ছে। জেলার সাতটি আসনে মূল লড়াই হবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে। সাধারণ ভোটার ও বিশ্লেষকদের মতে, এবার শুধু দলীয় প্রতীক নয়, উন্নয়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান ও স্থানীয় নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতাই ফল নির্ধারণ করবে। বিএনপি নেতাকর্মীরা সাতটি আসনই দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উপহার দিতে চান, অন্যদিকে জামায়াত অন্তত দুটি আসনে জয়ের আশা করছে।
বগুড়ার ১২ উপজেলা ও ১১ পৌরসভা মিলিয়ে মোট ভোটার প্রায় ২৯ লাখ ৮২ হাজার। নয়টি দলের ৩৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিশ্লেষকদের মতে, বগুড়া ঐতিহ্যগতভাবে বিএনপির ঘাঁটি হলেও এবার ছয়টি আসনে তীব্র প্রতিযোগিতা হবে। স্থানীয় ইস্যুগুলোর মধ্যে রয়েছে নদীভাঙন, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য, অবকাঠামো উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান। কিছু এলাকায় ভোট কেনাবেচার অভিযোগ উঠেছে এবং এক প্রার্থী অনিয়মের অভিযোগে ভোট থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, বিএনপি ও জামায়াতের জোট ভাঙার ফলে এবার ভোটে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ রয়েছে এবং তারা উন্নয়নমুখী ও সুশাসন প্রত্যাশী নেতৃত্ব চান।