Web Analytics

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বিস্তারিত নির্দেশনা জারি করেছে। ৮ জানুয়ারি ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত পরিপত্রে নির্বাচনি এজেন্ট ও পোলিং এজেন্ট নিয়োগ, তাঁদের দায়িত্ব-কর্তব্য, ব্যয় বিবরণী দাখিল এবং সন্ত্রাস ও জাল ভোট প্রতিরোধ সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রার্থীরা নিজ নির্বাচনি এলাকার যোগ্য ভোটারকে এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন এবং রিটার্নিং কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানাতে হবে। প্রতিটি ভোটকক্ষে একজন পোলিং এজেন্ট নিয়োগের সুযোগ থাকবে। ভোটগ্রহণ থেকে গণনা পর্যন্ত এজেন্টদের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিজয়ী, পরাজিত ও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত সকল প্রার্থীকে ফলাফল গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ রিটার্ন জমা দিতে হবে। ব্যয়ের সীমা অতিক্রম বা রিটার্ন না দিলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

ইসি প্রার্থী ও এজেন্টদের সন্ত্রাস, ভীতি প্রদর্শন ও জাল ভোট প্রতিরোধে সহযোগিতা চেয়েছে এবং ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে অবৈধ প্রচার বা বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!