যশোরের আলোচিত যুবলীগ নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর জাহিদ হোসেন মিলন ওরফে টাক মিলনকে রাজধানীর রামপুরা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে শনিবার যশোরে আনা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, মিলন যশোরের অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং তার বিরুদ্ধে হত্যা, বিস্ফোরক দ্রব্যসহ অন্তত ১৪টি মামলা রয়েছে।
ডিবির ওসি মোহাম্মদ আলী জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মিলনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও নানা অপরাধের অভিযোগ উঠেছিল। তিনি ২০১৮ সালে যুবলীগ কর্মী শরিফুল ইসলাম সোহাগ হত্যা এবং ২০১৯ সালে সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের বাড়িতে বোমা হামলার মামলার অন্যতম আসামি। এছাড়া জুয়া পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
পুলিশ জানায়, মিলনের আগের গ্রেপ্তার সত্ত্বেও তিনি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছিলেন। সর্বশেষ গ্রেপ্তারের পর তার বিরুদ্ধে থাকা পুরনো মামলাগুলোর তদন্ত নতুন করে গতি পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।