একনজর এর পরীক্ষামূলক বেটা সংস্করণ চলছে। যেকোন ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর চোখে দেখার এবং আমাদের উন্নতির জন্য গঠনমূলক মতামত দেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।
গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যাকাণ্ডে অগ্রগতি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনা শুরু হয় এক হানিট্র্যাপ থেকে, যেখানে গোলাপি নামের এক নারী বাদশা নামের ব্যক্তিকে ফাঁদে ফেলে। তার সঙ্গী সশস্ত্র যুবকেরা বাদশাকে কুপিয়ে আহত করে, আর ঘটনাটি মোবাইলে ধারণ করছিলেন সাংবাদিক তুহিন। তখন হামলাকারীরা তাকেও কুপিয়ে হত্যা করে। পুলিশ ইতোমধ্যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আরও কয়েকজনকে শনাক্ত করেছে। এখনও পলাতক গোলাপিসহ অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। মামলায় ২০–২৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
একনজর এর পরীক্ষামূলক বেটা সংস্করণ চলছে। যেকোন ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর চোখে দেখার এবং আমাদের উন্নতির জন্য গঠনমূলক মতামত দেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।